August 9, 2026, 9:38 am
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
করোনা সচেতনতা কারনে চা দোকানিরা প্রশাসনের ভয়ে কৌশল অবলম্বন করে দোকান চালাচ্ছে। কাক ডাকা ভোর থেকে নয়টা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত দোকান খুলে রাখছেন। এসময়ে লোকজনে পরিপূর্ণ থাকে চায়ের দোকানগুলো। নবীন-প্রবীণ সকলের কাছে চায়ের দোকান আড্ডার একটি পারফেক্ট স্থান। সকাল বেলা চা পানের সঙ্গে জমে ওঠে আড্ডা। অপরিচিতরাও স্ব-উদ্যোগে শামিল হয়ে যান সেখানে। চায়ের এক চুমুক দিয়েই এমনই গল্পে মুখর হয়ে যান যে চা খাওয়ার কথা অনেকেই ভুলে যান। চলে নানা আলোচনা। তবে এখন চলছে করোনা কিভাবে আসলো। কতো মানুষ মারা গেলো আর এই ভাইরাস কতোদিন থাকবে এমন নানান প্রশ্ন।
সরেজমিনে সকাল ৮টার সময়ে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের রাবারড্যাম বাজারে গিয়ে দেখা গেল, শফিকুল চা তৈরীতে ব্যস্ত। আর মানুষগুলো করোনা ভাইরাস নিয়ে অনেকেই করছে। আবার অনেকেই প্রশাসন আসতে পারে এমন ভয় নিয়েও কথা বলছেন। দেখা গেল, আড্ডায় প্রবীণরা ধুমপানের টানে বেশ হাশিখুশি। প্রশাসনের কঠোর হুসিয়ারী থাকা সত্বেও সাবগাড়ি গ্রামের নছির উদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম চা দোকান খুলে চা বিক্রি করছে। সেখানে ১০-১২ জন মানুষ এক জায়গা বসে চা খাচ্ছে। চা দোকান কেন খুলেছেন এমন প্রশ্ন করলে সে বলে এতো সকালে পুলিশ আসবে না। তাছাড়া আমাদের বাজারে পুলিশ কম আসে।
ওই দোকানে বসা ৬০ বছর বয়সী একজনের সাথে কথা হয়। সে বলে বাবারে কোথাও এত তথ্য পাওয়া যায় না। ৫ টাকার চায়ের দোকানে সব পাওয়া যায়। এখানে চায়ের সঙ্গে সব খবর পাওয়া যায়।
ওই বাজারের সচেতন মুদিখানা ব্যবসায়ী শরিফুল শাহ বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবারও ওই চা দোকানিকে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের বিয়াঘাট ইউনিয়ন থেকে ১০ কেজি চাউল পেয়েছেন। তার পরেও দোকান খুলেছে। এর আগেও নিষেধ করলেও তিনি শুনেননি। তিনি আরও বলেন, এমনভাবে অনেক বাজারে চা দোকান খুলে চা বিক্রি চলছে। সাথে আড্ডায়ও চলছে। তিনি সকাল বেলা উপজেলার বিভিন্ন বাজারে পুলিশ ও প্রশাসনের টহল কামনা করেন।
অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাহারুল ইসলাম বলেন, আমাদের অভিযান অব্যহত আছে। অভিযান চলছে।#