August 9, 2026, 8:44 am
পাবনা প্রতিনিধি
আসছে শীত, প্রস্তুতি নিচ্ছে শীতার্ত মানুষ। শীত আসতে না আসতেই পাবনার চাটমোহর উপজেলাতে লেপ-তোষকের কারিগরদের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। সেই সাথে দিন দিন বাড়ছে লেপ-তোষকের চাহিদা। লেপ-তোষক মালিক ও শ্রমিকদের খাওয়া-দাওয়ারও সময় নেই। সেলাইয়ের কাজ ও তুলা ধুনতে ব্যস্ত মালিক-শ্রমিকেরা। শীতের আগমনে ক্রেতারা আগে থেকেই পছন্দমতো লেপ-তোষক তৈরির বায়না করছেন। অন্য দিকে শীতকে ঘিরে গ্রামাঞ্চলে শুরু হয়েছে কাঁথা শেলাইয়ের প্রতিযোগিতা। অনেকে বিশেষ করে মহিলারা কাঁথা শেলাই করে দু’পয়সা ঘরেও তুলছেন। উপজেলার থানা বাজার (পুরাতন বাজার) নতুনবাজার, কলেজ রোড, রেলবাজার, আটলংকা, মূলগ্রাম, ডিবিগ্রাম, পার্শ্বডাঙ্গা, ফৈলজানা, হান্ডিয়াল, ছাইকোলা, বিলচলন, মথুরাপুর, হরিপুর বাজারে প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি লেপ-তোষকের দোকান রয়েছে। এ সব দোকানের কারিগররা এখন খুবই ব্যস্ত সময় পার করছেন।
লেপ-তোষক কারীগর লালন হোসেন জানান, সময় মতো লেপ-তোষক ডেলিভারি দেয়ার জন্য তারা অতিরিক্ত কারিগর রেখেছেন। কেননা এ মওসুমের আয় দিয়েই তাদের পুরো বছর চলতে হয়।
অপর কারিগর আওয়াল আলী জানান, কাপড় ও তুলার মান বুঝে লেপ-তোষকের দাম নির্ধারণ করতে হয়। তারা চার-পাঁচ হাত লেপ-তোষক ১ হাজার টাকা থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করে থাকেন। তবে কাপড় ও তুলার দাম বেশি হওয়ায় এ বছর লেপ-তোষকের দাম একটু বেশি। তারপরও চাহিদার কোনো কমতি নেই। এ দিকে শীত মওসুমের শুরুতেই এ অঞ্চলের গৃহবধূরা মনের মাধুরী মিশিয়ে নকঁশী করে তৈরি করছেন কাঁথা।
আফ্রাত পাড়া গ্রামের সখিনা জানান, অনেকেই শীত মওসুমে তাদের কাছে কাঁথা শেলাই করার জন্য আগাম বায়না নেন। একটি কাঁথা শেলাই করতে তাদের মজুরি বাবদ দেয়া হয় ৫‘শ থেকে ১হাজার টাকা। এভাবে প্রতি বছর তারা ৪০ থেকে ৫০টি কাঁথা শেলাই করে থাকেন।