August 9, 2026, 7:33 am

ওপার বাংলায় শৈলী শপথ শান্তিনিকেতনে কবি সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন জয়পুরহাটের রুপা

ওপার বাংলায় শৈলী শপথ শান্তিনিকেতনে কবি সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন জয়পুরহাটের রুপা

ওপার বাংলায় শৈলী শপথ শান্তিনিকেতনে কবি সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন জয়পুরহাটের রুপা

রবিউল ইসলাম রিমন, বিশেষ প্রতিবেদকঃ পশ্চিম বাংলা (কলকাতার) স্বনামধন্য সাহিত্য সংগঠন শৈলী শপথের লেখক শিল্পী মহা সম্মেলনে যোগ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছেন জয়পুরহাটের রুপা রহমান।

আগামি ২-৩ নভেম্বর কলকাতার শান্তি নিকেতনে দুদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই প্রোগ্রামে বাংলাদেশ থেকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রুপা রহমান।

রুপা রহমান জয়পুরহাট জেলার কালাই উপজেলার করিমপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। পিতা প্রয়াত আব্দুল ওয়াহেদ খান ও মাতা লুৎফুন নেছার কনিষ্ঠ কন্যা রুপা রহমান। পিতা-মাতার অনুপ্রেরনায় ৭ম শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় লেখা লেখি শুরু করেন। এ পর্যন্ত যৌথভাবে ১৫ টি বই প্রকাশিত হলেও গল্প ও কবিতা নিয়ে একক ভাবে রচনা করেন কাব্য কথা। যা ১ ও ২ খন্ডে প্রকাশিত হয়েছে।

এ ছাড়াও স্থানিয়ভাবে গড়ে তুলেছেন মানোবায়ন সমাজসেবা সংঘ। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সমাজের অসহায় ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ায় সহযোগিতা সহ যে কোন বিপদে সাহায্য ও চিকিৎসা সেবায় সহায়তা করে থাকেন। রুপা রাহমান সাহিত্য চর্চা ও সামাজিক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের জন্য ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

আগামী একুশে বইমেলা ২০২০ এ একক কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন রুপা।

উল্লেখ্য যোগ্য হচ্ছে অপরাজিতা সাহিত্য পদক-২০১৪, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সাহিত্য পদক-২০১৫, বঙ্গবন্ধু সাহিত্য পদক-২০১৭ ,জীবনানন্দ দাস সাহিত্য পদক-২০১৮ এবং মাদার তেরেসা সাহিত্য স্বর্ণ পদক।

রুপা রহমান বলেন, বর্তমান বাংলাদেশেরর প্রেক্ষাপটে যে সামাজিক অবক্ষয় চলছে, বিশেষ করে তরুণ সমাজ মাদক গ্রহন ও ধর্ষনের মতো যে অবক্ষয় আমাদের মাঝে দিন দিন বেড়েই চলেছে, সেই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সাহিত্য চর্চার বিকল্প কিছু দেখছি না। একটি দেশের সাহিত্য চর্চায় পারে সে দেশের চলমান সমস্যা গুলোর সমাধান করতে।

আমার মতে, প্রতিটি লেখকের লেখনী হওয়া উচিত সমাজ সংস্কারেরর হাতিয়ার। আর সে জন্যই সাহিত্য চর্চার যে কোন সম্মাননা কিংবা স্বীকৃতি সেই ধারা কে বেগমান করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। কাজের স্বীকৃতি অনেক আনন্দের। দেশের বাইরের সম্মাননা অনেক গৌরবের বলে মন্তব্য করেন তিনি। রুপা রাহমান সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে দেশের মানুষের জন্য আরো কিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2020 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com