August 9, 2026, 7:49 am
ডিএন২৪ ডেস্ক
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে দমন করতে ইসরাইলের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ড দখল করে নেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন এক ইসরাইলি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রবন্ধে এমনই মন্তব্য করেছেন তিনি।
ইসরাইলের নিরাপত্তা গবেষণা বিষয়ক সংস্থা জেরুসালেম ইনস্টিটিউট ফর স্ট্রাটেজি অ্যান্ড সিকিউরিটির গবেষক দলের সদস্য ওমর দস্তরি সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তার প্রবন্ধে বলেন, ইসরাইলের অধিকার রয়েছে তার সামনে থাকা বিভিন্ন হুমকি মোকাবিলায় ধাপে ধাপে অগ্রসর হওয়ার।
দস্তরি লিখেন, ‘ইসরাইলের উচিত প্রতিটি হুমকি ভিন্ন ভাবে মোকাবিলা করার, কম গুরুত্বপূর্ণ থেকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যাওয়ার এবং ইরানের পরমাণু প্রকল্পের মতো সবচেয়ে মারাত্মক হুমকির প্রতি যত খানি সম্ভব লক্ষ্য রাখার।’
এই কৌশলের অংশ হিসেবে প্রথমেই হামাসের অবস্থানে আঘাত করা উচিত বলে প্রবন্ধে মন্তব্য করেন দস্তরি।
তিনি বলেন, ‘এই কৌশলে প্রথমেই হামাসকে দমনে অগ্রসর হতে হবে।’
দস্তরি বলেন, ‘গাজা উপত্যকা যে হুমকির সৃষ্টি করেছে লেবানন ও ইরানের ফ্রন্টের মতো হুমকির সাথে তুলনায় গুরুত্বের দিক থেকে তা মধ্যম প্রকৃতির। কিন্তু বছরের পর বছর হামাসের ক্রমাগত যুদ্ধের সরঞ্জাম সংগ্রহ ও ইসরাইলের তা দমনের ব্যর্থতায় সময়ের সাথে সাথে এই হুমকি বাড়ছে এবং লেবানন ফ্রন্টের মতোই সমানভাবে এই হুমকি বাড়তে পারে।’
দস্তরি আরো বলেন, হামাসকে উৎখাত করার পর ইসরাইলের উচিত লেবাননের হিজবিল্লাহকে প্রতিরোধে মনোযোগ দেয়া এবং তার পর বিশেষভাবে ইরানের সামরিক পরমাণু প্রকল্পের বিশেষভাবে নজর দেয়ার।
গত ১০ মে জেরুসালেমের শেখ জাররাহ মহল্লা থেকে ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করে ইহুদি বসতি স্থাপনে ইসরাইলি আদালতের আদেশ এবং এর প্রতিবাদে মসজিদুল আকসাসহ বিভিন্ন স্থানে ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর ইসরাইলি হামলার জেরে গাজা নিয়ন্ত্রণকারী স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ইসরাইলের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ১১ দিনের টানা সংঘর্ষে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর আগ্রাসনে গাজায় ৬৬ শিশুসহ অন্তত ২৫৭ ফিলিস্তিনি নিহত ও এক হাজার নয় শ’ ৪৮ জন আহত হয়। অপরদিকে ইসরাইলি ভূখণ্ডে হামাসের রকেট নিক্ষেপে দুই শিশুসহ ১৩ ইসরাইলি নিহত ও সাত শ’ ৯৬ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
টানা ১১ দিন সংঘর্ষের পর মিসরের মধ্যস্থতায় ২১ মে থেকে ইসরাইলের সাথে যুদ্ধবিরতিতে যায় হামাস।
সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর