August 9, 2026, 7:51 am
কর্মব্যস্ত রাজধানীতে ব্যস্ততার শেষ নেই। তবে ঈদুল আজহা উপলক্ষে নাড়ির টানে ব্যস্ত নগরী ছেড়ে কোটি মানুষ পাড়ি জমিয়েছে গ্রামের বাড়ি। ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন বুধবার নির্ধারিত সরকারি ছুটি শেষে খুলেছে সরকারি-বেসরকারি অফিস। কিন্তু এখনও ব্যস্ত রাজধানীতে প্রাণ ফেরেনি। চারদিক এখনও ফাঁকা।
ঈদুল আজহার তিনদিনের সাধারণ ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগ দিতে বুধবার সকাল থেকে ঢাকায় ফিরছে নাড়ির টানে বাড়ি যাওয়া মানুষ। তবে ছুটির আমেজ যেন শেষ হয়নি এখনও। চিরচেনা রূপে ফেরেনি রাজধানী। নেই কোলাহল। পুরো নগরী বলতে গেলে ফাঁকা।
দুপুরে রাজধানীর মিরপুর, কল্যাণপুর, ধানমন্ডি, কলাবাগান, ফার্মগেট, মতিঝিল, শাহবাগ, মহাখালীর মতো ব্যস্ততম এলাকা সরেজমিনে দেখা যায়, মানুষের পদচারণা কম। প্রাইভেটকার, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল চলাচল করছে। তবে গণপরিবহনের সংখ্যা খুবই কম।
প্রতিদিন যে এলাকা লাখো মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকে, কালো ধোঁয়া আর যানজট যে স্থানটিকে প্রায়ই স্তব্ধ করে তোলে সেই বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে এখনও লোকারণ্যে রূপ নেয়নি। রাজধানী ঢাকার এ রূপ অবিশ্বাস্য। কেবল ঈদুল ফিতর কিংবা ঈদুল আজহায় রাজধানীতে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। অন্যদিকে সচিবালয় এলাকায় চোখে পড়েনি চিরচেনা যানজট। ফুটপাতে নেই হকার, সড়কে নেই ট্রাফিক জ্যাম।
বাস ও রিকশা চালকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের আগে যে সব গন্তব্যে যেতে এক-দেড় ঘণ্টা সময় লাগতো এখন রাস্তা ফাঁকা হওয়ায় ১৫-২৫ মিনিটের মধ্যে চলে যাচ্ছেন। তবে যাত্রী কম থাকায় উপার্জনও কম।