August 9, 2026, 6:38 am
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের এ দিনে (১৮ অক্টোবর) ধানমন্ডির ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মানবতার শত্রু ঘৃণ্য ঘাতকদের নির্মম বুলেট থেকে রক্ষা পাননি শিশু শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নরপিশাচরা নির্মমভাবে তাকেও হত্যা করেছিল। তিনি ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নানা আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়।
কোরআন তেলাওয়াত, গীতাপাঠ ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিরঞ্জন দেব এর সভাপত্বিতে “শেখ রাসেল ও আগামীর শিক্ষা ব্যবস্থা” এর উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যান অনুষ্ঠানসূচির মধ্যে ছিল রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বির্তক প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্ববোধক গান ও পুরষ্কার বিতরণী।
বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক গৌতম বুদ্ধ পাল এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সহকারি শিক্ষক জনাবা জায়েদা বেগম চৌধুরী।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও শেখ রাসেল একই সূত্রে গাথাঁ। ১৯৭৫ সালের এর ১৫ই আগষ্ট সেনা অভ্যূত্থানের মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপরিবারে হত্যা করা হয়, কতটা নির্মম হলে ১০ বছরের একটি শিশু সন্তানকে হত্যা করা যায়। রাসেলের এই নিমর্ম মৃত্যুতে জাতি চিরঋণী ও লজ্জ্বিত।

আরও বক্তব্য রাখেন সহকারি শিক্ষক সৈয়দ মাহবুব আলী, সহকারি শিক্ষক শর্মিলা নন্দী মজুমদার, সহকারি শিক্ষক মনিরাম রবিদাস ও সহকারি শিক্ষক বিউটি রাণী দেবী।
সহকারি শিক্ষক সৈয়দ মাহবুব আলী শেখ রাসেলের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, আজ জাতির পিতার দুই কন্যা যেভাবে দেশ পরিচালনা করছেন, যদি শেখ রাসেল বেচেঁ থাকতেন তাহলে হয়তো তাদের মতোই এই দেশ পরিচালনে তিনি তার বোনদের সহযোগিতা করতেন। আমি শেখ রাসেলের আত্মার শান্তি কামনা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ূ কামনা করছি।
সহকারি শিক্ষক শর্মিলা নন্দী মজুমদার তিনি তার বক্তব্যের মধ্যে শেখ রাসেলকে নিয়ে একটি কবিতা পাঠ করেন।
প্রধান শিক্ষক নিরঞ্জন দেব বলেন, “শেখ রাসেলের হত্যা এটা প্রমাণ করে তৎকালীন সময়ে যারা সেনা অভ্যূত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিল তারা কতটা দেশদ্রোহী। যারা ১০ বছরের একটি শিশু সন্তানের লাশের উপর দাড়িয়ে ক্ষমতার লালসায় মেতেছিল।”
অনুষ্ঠানের সমাপণীতে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ ও শেখ রাসেলের আত্মার শান্তি কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।