August 9, 2026, 12:03 pm
আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তৃনমুল রাজনীতি থেকে তিলেতিলে বেড়েওঠা একজন সাবেক সফল কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা।যিনি দীর্ঘদিন যাবত বঙ্গবন্ধুর আর্দশ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন অকুতোভয় রাজপথে একজন সংগ্রামী সাহসী দলের ত্যাগী কর্মীদের একজন হয়ে। যার স্কুল জীবন থেকেই রাজনীতির চর্চা শুরু তার কথা বলছি যিনি সৎ, দক্ষ ও ক্লিন ইমেজের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ’র রাজনীতির একজন উজ্জল প্রতিচ্ছবি ও বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার।
আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার আ’লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়েছেন সেই মাধ্যমিক স্কুলে পড়ুয়া অবস্থায়। এরপর রাজনীতিতে সকল ত্যাগ তিতিক্ষা পাড় করে সকল লোভ, লালসা ব্যক্তিগত সার্থকে বিসর্জন দিয়েও যিনি কখনো মুহুরতের জন্যেও আ’লীগের রাজনীতির হাল ছাড়েননি। তার রাজনীতির জীবনে দীর্ঘ ১৪ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছায়াতলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর চেতনাকে বুকে ধারন করে, সততা ও নিষ্ঠার সাথে দলের জন্যে কাজ করে গেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে থেকে একজন পরিশ্রমী দক্ষ সংগঠকের দায়িত্ববান ভুমিকা পালনের মাধ্যমে।
আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার রাজনৈতিক জীবনে পদার্পন করেন দ্বীপজেলা ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মির্জাকালু উচ্চ বিদ্যালয় থেকেই। তৎকালীন সময়ে তিনি নিজ জন্মস্থান মির্জাকালু উচ্চ বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন ১৯৯০ এর জানুয়ারী থেকে ১৯৯১ এর মার্চ পর্যন্ত । অতপর ১৯৯১ এর এপ্রিল থেকে ১৯৯২ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিলেন বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসান নগর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি । ১৯৯৩ সালে ভর্তি হন বরিশালের গভঃ সৈয়দ হাতেম আলী কলেজে । সেখানে তিনি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ।
অতঃপর উচ্চ শিক্ষার জন্য আবুল কালাম আজাদ রাজধানী ঢাকায় চলে আসেন এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একাউন্টিং ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হন ।
সেখানেও তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একাউন্টিং ডিপার্টমেন্টের ছাত্রলীগের
আহবায়কের দায়িত্ব পান । ১৯৯৫- ১৯৯৮ (জানুয়ারী) পর্যন্ত একাউন্টিং
ডিপার্টমেন্টের ছাত্রলীগের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন।তার দক্ষতায় এবং
রাজনৈতিক পরিশ্রম ও সততার গ্রহনযোগ্যতায় ফেব্রুয়ারী মাসে জগন্নাথ
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হন এবং ২০০১ পর্যন্ত এ পদে থেকেই
তিনি এই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন । পরবর্তীতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসাবে ২০০২ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনীতির পাশাপাশি একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি জগন্নাথ
বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই কৃতিত্বের সাথে একাউন্টিং-এ স্নাতকোত্তর সুনামের
সাথেও ডিগ্রী অর্জন করেন
সফলতার সাথে ছাত্র রাজনীতি থেকে পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে অতঃপর তিনি আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগে যোগ দেন । দীর্ঘ ১৪ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছায়াতলে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে।
এদিকে আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন। সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব পেতে যাচ্ছে সংগঠনটির তৃণমূলের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা। নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দাবি অপকর্ম সঙ্গে যুক্ত, বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে যারা জড়িয়ে পড়েছে তারা যাতে কোনও ভাবেই নেতৃত্বে না আসতে পারে। তাদের দাবি দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের অবশ্যই সৎ,যোগ্যতম ও অভিজ্ঞ এবং সাংগঠনিকভাবে সচ্ছ নেতৃত্বের অধিকারি হতে হবে।
আবার এবারের সম্মেলনে প্রাধান্য দেয়া হতে পার ১/১১‘র সময়কার দলের জন্য ভুমিকা রাখা কোন পরীক্ষিত কর্মীদের। পদপ্রত্যাশীদের একাধিক ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,নেতাকর্মীদের এবারে প্রানের দাবি এমন একজন সংগঠনের নেতৃত্বের দায়িত্ব আসুক যারা অন্তত রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজার এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আর সাংগঠনিকভাবে সংগঠন পরিচালনার অভিজ্ঞ ও দক্ষ একজন এমনটাই আশাপ্রকাশ করছেন সবাই।
দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের শীর্ষপদের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা ও দক্ষিণের স্বেচ্ছাসেবক লীগে ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ হাওলাদার। তিনিও এইবার সংগঠনটির একজন সভাপতি প্রার্থী।
এছাড়াও আবুল কালাম হাওলাদার বিএনপি-জামায়াতের আমলে সামনের কাতারে থেকে
রাজপথে সক্রিয় ভুমিকায় থেকে আওয়ামী লীগের জন্য রাজনীতি করেছেন।
১/১১ এর সময়ে বাংলাদেশ আ’লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখহাসিনার মুক্তি
আন্দোলনে ছিলেন সামনের সারিতে।আর যার দরুন তাকে সহ্য করতে হয়েছে মামলা
হামলা জেলজুলুমসহ বিরোধীদলের করা নির্যাতনের শিকার সহ্যকরতে হয়েছে আবুল
কালম আজাদকে।
এ’ব্যাপারে দৈনিক মানবাধিকার ক্রাইম বার্তার বিশেষ প্রতিনিধি কে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে আবুল কালাম আজাদ বলেন,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও গনতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখহাসিনা যদি আমাকে জাতীয় সেচ্ছাসেবক লীগের সন্মেলনে আমার সাংগঠনিক কর্মকান্ডে প্রতি আস্থা রেখে তিনি সভাপতি পদে যোগ্যতম মনেকরে এই দায়িত্ব অর্পন করেন,আমি তার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা রেখে আমি দল ও দেশের প্রতি ভুমিকায় আমি আমার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সাংগঠনিক ধারাকে অব্যাহত সংগঠনের সুনাম রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাব।।