August 9, 2026, 8:53 am
বাংলাদেশ সেফ ফুড এলায়েন্স এর আয়োজনে ‘নিরাপদ খাদ্য ; সমস্যা ও সম্ভাবনা’ বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার রাজধানীর তোপখানা রোডের শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কনফারেন্স হলে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রাকৃতিক চিকিৎসাসেবী ও নিরাপদ খাদ্য আন্দোলন কর্মী কাজী জিয়া শামস্।
সভায় নিরাপদ খাদ্যের উৎপাদক, কৃষক, ভোক্তা, সংগঠক এবং বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। বক্তারা নিরাপদ খাদ্যের মান, যথাযথ মূল্য, সহজ প্রাপ্যতা, উৎপাদন ও বিপণনের প্রতিবন্ধকতা বিষয়ে আলোকপাত করেন।
আলোচনা সভায় সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্যের সহজলভ্যতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেফ ফুড এলায়েন্সকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে আহ্বান জানান।
সভাপতি কাজী জিয়া শামস্ বলেন, ’প্রযুক্তি দিয়ে মানুষের প্রজন্ম হয়তো রক্ষা করা যাবে। কিন্তু প্রকৃত মানুষের বংশ রক্ষার জন্য নিরাপদ খাবারের বিকল্প নেই।’
বাংলাদেশ সেফ ফুড এলায়েন্সের কার্যক্রম এবং পরিধি বাড়ানোর মাধ্যমে এ অঙ্গনে বিরাজমান সমস্যাসমূহ সমাধানে উদ্যেগ গ্রহণ করা হবে বলে জানান সংগঠনের সদস্য সচিব কৃষিবিদ আমিনুল ইসলাম বাবু।
সভা সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ সেফ ফুড এলায়েন্সের আহবায়ক ইকবাল সিরাজী। ইকবাল সিরাজী বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যেমন সমস্যা আছে, তেমনি সম্ভাবনাও আছে। সেই সম্ভাবনাকে ঘিরে আমরা এগিয়ে যেতে চাই।
ইউনাইটেড হেলথ কেয়ারের উদ্যোক্তা এ বি এম রাসেল বলেন, ঔষধ নয়- প্রাকৃতিক খাবারই সুস্থতার মূল হাতিয়ার। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুস্থ রাখতে নিরাপদ খাবারের কোনো বিকল্প নেই।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে নিরাপদ কৃষি বিশেষজ্ঞ দেলোয়ার জাহান, উদ্যোক্তা শাহজাহান শাহীম, এ এমএম হাবিবুল্লাহ মুস্তাফা, কাজী মনির হোসেন, ইসলাম মোহাম্মদ, জোবায়ের হোসাইন, মো. খালেদ বক্তব্য রাখেন।