August 28, 2026, 1:36 pm
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জনবল সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে সেবা প্রার্থীরা বঞ্চিত রয়েছে। জানা যায়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কাজল কুমার শীল পেকুয়া ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকে জনবল সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কাজল কুমার শীল করোনা আক্রান্ত হয়। তিনি দীর্ঘ ২০ দিন যাবৎ অফিসে এসে স্বাভাবিক কাজ করতে পারেনি। অপরদিকে অফিস সহায়ক ১ জন রয়েছে। তিনিও অসুস্থ। যার কারণে পেকুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অনেক সেবা প্রার্থীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে। সেবা প্রার্থীরা কয়েকবার অফিসে গিয়েও সেবা পাচ্ছে না। বিশেষ করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সেবা প্রার্থীরা নামজারি খতিয়ান, দাখিলা কাটা, এম,আর মামলা, মিচ মামলা ও ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্যের জন্য যায়। তারা বেশ কয়েক বার অফিসে গিয়েও তাদের দেখা পায় না। দেখা যায় শুধু অসাধু দালালদের। গত বুধবার পেকুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, তওশলীদার কাজল কুমার শীল দরজা বন্ধ করে কিছু দালালদের সাথে কথাবার্তায় ব্যস্ত রয়েছে। অনেক গ্রাহক এসে ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে অফিসের বারান্দায় ভীড় জমায়। তারা তাদের সমস্যাগুলো কর্তাবাবুকে বুঝাতে পারেন না। অনেকে বারান্দায় গিয়ে তওশীলদেরকে গালিগালাজ করে চলে আসে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পূর্বের তওশীলদার রফিকুল ইসলাম যাওয়ার পর থেকে পেকুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জনবল সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। পেকুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ১ জন তওশীলদার, ১ জন সহকারী তওশীলদার, অফিস সহায়ক ২ জন থাকার নিয়ম রয়েছে। বর্তমানে ১ জন তওশীলদার ও ১ জন অফিস সহায়ক নিয়ে অফিসিয়াল কার্যক্রম চলতেছে। মগনামার ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার নুর মোহাম্মদ জানান, বর্তমান তওশীলদার দাখিলা কাটছেনা। যার কারণে জমির খাজনা আদায় ও জমি সঠিকভাবে রেজিষ্ট্রি করতে পারছিনা। এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার ভূমিকে জানালে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন। এ বিষয়ে তওশীলদার কাজল কুমার শীল জানান, অফিসে জনবল না থাকায় সব কাজ সামাল দিতে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। তিনি অফিসে জনবল বাড়ানোর জন্য সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী জানান। পেকুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসিফ আল জিনাত জানান, ভূমি অফিসে জনবল সংকট সারাদেশে রয়েছে। এ বিষয়ে জাতীয়ভাবে ভূমি মন্ত্রীসহ সকলে চেষ্টা করছেন।