August 9, 2026, 10:53 am
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় হাতপাখা নিয়ে ভোট করছেন মাওলানা নাছের গেফারী। সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে উলামা মশায়েখদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা নাছের গেফারী ছুটছেন ভোটারদের কাছে। ভোটাররাও এবার পরিবর্তন খোঁজছেন। মাওলানা নাছের গেফারী পেকুয়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ শিক্ষিত মানুষ। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার সর্ববৃহৎ ইউনিয়ন সদর থেকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। তার নির্বাচনী প্রতীক হাতপাখা। পীর সাহেব চরমোনাই মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী নাছের গেফারী তার হাতপাখা মার্কায় ভোট চাওয়ার জন্য গিয়েছেন পেকুয়ার সদর ইউনিয়নের প্রত্যেক প্রান্তে। তিনি যে দিকে যাচ্ছেন সে দিকেই মিলছে মানুষের সাড়া। পেকুয়ায় এবার পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। মানুষ ভোট দিয়ে পেকুয়াকে উন্নয়ন ও ন্যায় বিচারে গতিশীল করতে চান। নাছের গেফারী একজন সমাজ সেবক ও পেশায় শিক্ষকও। তিনি পেকুয়া আশরাফুল উলুম মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক। প্রাইমারী শেষ করে ভর্তি হয়েছিলেন পেকুয়ার জিএমসি ইনষ্টিটিউশনে। এরপর শাহচান্দ আউলিয়া মাদ্রাসা পটিয়া থেকে দাখিল পাস করেন। লোহাগাড়া সুফিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে আলিম পাস করেন। পটিয়া জামেয়াতুল উলুম মাদ্রাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস ও আরবী সাহিত্য শেষ করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বসুন্ধুরা ইসলামী গবেষণা বিভাগ থেকে ফিকাহ বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী লাভ করেন। পেকুয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে নাছের গেফারী শিক্ষা ও দীক্ষায় অনেক এগিয়ে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ওই প্রার্থীকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। ওই প্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে দলটির জাতীয় প্রতীক হাতপাখা। ইসলামী আন্দোলনের অঙ্গ সহযোগী সংগঠন জাতীয় শিক্ষক ফোরামের পেকুয়ার সভাপতিও মাওলানা নাছের গেফারী। এলাকায় সৎ, ন্যায় পরায়ন ও নীতিবান মানুষ হিসেবে তাকে সবাই চিনেন ও জানেন। পেকুয়ায় আশরাফুল উলুম মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষকের পাশাপাশি তিনি মসজিদে আবু বক্করের প্রতিষ্টাতা সেক্রেটারী ও খতিবও তিনি। কেন প্রার্থী হয়েছেন পেকুয়া সদর ইউনিয়নকে নিয়ে তার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি হবে এমন প্রশ্নের জবাবে হাতপাখা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা নাছের গেফারী বলেন, ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে ইসলামী আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য । আমরা ওই শ্লোগান নিয়ে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার আহবান জানাচ্ছি। পেকুয়া সদরও আমার ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় প্রধান উদ্দেশ্য। স্থানীয় সরকারের মূল কাঠামো হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জনগন সবচেয়ে বেশী সেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। কিন্তু বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানটি প্রায় অকার্যকর। গ্রাম আদালতে বিলম্বিত বিচার সংষ্কৃতি বিদ্যমান। এখানে মানুষ ন্যায় বিচার পাননা। ঘুষ ও দুর্ণীতিতে ছেয়ে গেছে। এর পরিবর্তনের জন্য ইসলামী আকিদা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী জনপ্রতিনিধিকে পাঠাতে হবে। নাগরিক সেবায়ও জনগনকে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি হতে হচ্ছে। জাতীয়তা সনদ, জন্ম সনদ, ওয়ারিশ সনদ, মৃত্যু সনদসহ যাবতীয় কাজকর্মে নাগরিকদের হয়রানি হতে হচ্ছে। টাকা ও ঘুষ ছাড়া এ সব মিলছে না। আমি ঘোষণা দিচ্ছি জনগন আমাকে রায় দিলে এ সবের অবসান হবে পেকুয়া সদরে। কোন মানুষকে ঘুষ দিতে হবেনা। এটি তাদের নাগরিক অধিকার। আমি শাসক নয়, হবো জনসেবক। সামাজিক ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকার ইউনিয়ন পরিষদকে যে সব সুযোগ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে সেগুলোতে বিতরণ ও বন্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত থাকবে। বয়ষ্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা বিলিতে দুর্ণীতি, স্বজনপ্রীতির উর্ধে রাখা হবে। রাস্তাঘাটের উন্নয়নে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। জনমতের প্রতিফলনের মাধ্যমে পেকুয়া সদরের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেব। জনগন আমাকে ভোট দিলে ইনশাআল্লাহ সদর ইউনিয়ন হবে অনুকরনীয় একটি শাসন ব্যবস্থার মাইলফলক। যা সমগ্র জনগন উপকৃত হবে।