August 9, 2026, 12:03 pm
পেকুয়া প্রতিনিধি
পেকুয়ায় ভোট কেন্দ্র স্থানান্তর নিয়ে চলছে রশি টানাটানি। একটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ নিয়ে ভোটারদের মাঝে দ্বন্দের সুত্রপাত দেখা দিয়েছে। এর সুত্র ধরে উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের সবুজপাড়া গ্রামে অসন্তোষ বিরাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ন স্থান থেকে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তরের জন্য শিলখালী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ভোটাররা রাস্তায় নামার আগাম ঘোষনাও দিয়েছেন। এমনকি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট কেন্দ্রটি স্থানান্তরের জন্য সবুজপাড়ায় মানববন্ধন কর্মসূচীও পালিত হয়েছে। এ সময় শতাধিক ভোটার ওই মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন। তারা আন্দোলন কারীদের কাতারে শামিল হয়ে নতুন স্থানে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তরের পক্ষে সংহতি প্রকাশ করেছেন। ১৯ অক্টোবর ভোট কেন্দ্র স্থানান্তরের দাবীতে ওয়ার্ডবাসীর পক্ষে স্থানীয় জনগন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ পৌছান। এমনকি এর ৫ দিন পর ২৪ অক্টোবর দুপুরের দিকে সবুজপাড়ায় মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে। আশরাফ নুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্টিত মানববন্ধনে ২ নং ওয়ার্ডের শতাধিক ভোটার উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ২ নং ওয়ার্ডের ভোটার আবু ছালেক জানান, আমরা আমাদের ২ নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রটি পরিবর্তন ও স্থানান্তর করতে চাই। ভোট কেন্দ্র পরিবর্তনের জন্য আমরা ইতিমধ্যে নির্বাচন অফিসে লিখিত আবেদন প্রেরণ করেছি। এতিমখানায় ভোট কেন্দ্র ছিল। এ কেন্দ্রটি ভোট গ্রহণে সক্ষম কোন কেন্দ্র নয়। বাঁশের বেড়া ও টিনের ছাউনির এ কেন্দ্রটিতে ভোট গ্রহণ হয়ে আসছে ঝুঁকির মধ্যে। এখানে জরাজীর্ণ একটি পরিত্যক্ত ঘর কেন ভোট কেন্দ্র হবে। আমরা চাই সরকারী স্কুল ভবনে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তরের জন্য। আবুল হোসেন নামক ভোটার জানান, বর্তমান যেখানে কেন্দ্র আছে সেটিকে ভোট কেন্দ্র বলা যাবেনা। আগে উপযুক্ত ভবন ছিল না। এখন সরকারী আশরাফনুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকার বহুতল ভবন তৈরী করেছে। আমরা চাই সেখানেই আমাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেয়া হউক। জোছনা আক্তার নামক একজন নারী জানান, ওখানে প্র¯্রাব করার মতো পরিবেশ নেই। মসজিদ, কবরস্থানের মাঝখানে এতিমখানা। সেটি আমাদের ভোটকেন্দ্র। আমরা নতুন স্থানে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তরের পক্ষে। তা ছাড়া বর্তমান ভোট কেন্দ্রটি ওয়ার্ডের পশ্চিম প্রান্তে। পূর্বপ্রান্তের দুর দুরান্তের ভোটাররা সেখানে যেতে পারেনা। পাহাড়ে বসবাসরত শত শত নারী ভোটাররা দূরবর্তী স্থানে গিয়ে ভোট দিতে পারেনা। তাই আমরা আশরাফ নুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ভোট কেন্দ্র হিসেবে পেতে চাই। ইউপি সদস্য আবদুল মালেক জানান, কিছু মানুষ আশরাফ নুরে ভোট কেন্দ্র স্থানান্তরের পক্ষে। আবার আরেকটি পক্ষ চান আগের স্থানেই ভোট কেন্দ্রটি বহাল থাকুক।