August 9, 2026, 1:20 pm

বিদ্যালয়ের অবস্থা – অতিমারী

বিদ্যালয়ের অবস্থা – অতিমারী

সাইফুল ইসলাম বাবুলঃ

এখন অতিমারী চলছে, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ অনলাইন পাঠদান ও এসাইনমেন্ট বৃত্তিক বিদ্যা বিতরণ কতটুকু ফলপ্রসূ। বিদ্যালয় থাকবে, শিক্ষার্থী থাকবে, শিক্ষক থাকবে, কারিকুলাম থাকবে, এক আনন্দ মুখর পরিবেশে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তাডায় দৌড়াবে কখন ক্লাস। সব ভেঙ্গে চুরমার, এই ভাঙ্গন মেরামত আদৌ সম্ভব কিনা! আমাদের মনে হয় জাপানীদের মতো কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। প্রত্যেক শিক্ষককে কর্মট দেশ প্রেমিক নৈতিক বলে বলীয়ান হয়ে দাঁড়াতে হবে আগামীতে তবে কথা থাকে।

নৈতিকতার প্রধান অনুষঙ্গ স্বাধীনতা শিক্ষকগণ কি স্বাধীন মননে কাজকর্ম করতে পারবেন? একজন শিক্ষককে সত্য বলার পরিবেশ দিতে হবে । নৈতিকতার চর্চার সুযোগ দিতে হবে। এখন দেখছি সব কিছুই অনুপস্থিত। বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন সর্ব নিম্ম বেতন পান যার কারণে তাদের সামাজিক মার্যাদা নেই বললেই চলে। যাক দূমুল্যের বাজারে একটি চকরিতো আছে এতেই তাঁরা মনে হয় সন্তোষ্ট।

সমাজে গুটিকতেক শিক্ষক নামধারীর অবহেলার কারণে সমগ্র শিক্ষক সমাজকে দোষারোপের একটি রিতী চালু আছে। শিক্ষকগন কোনো অফিসে গেলে নাজেহাল হতে হয় তাদের তুচ্ছজ্ঞান করা হয় সমাজের শেষ সারিতে দাঁড় করানো হয়। আবার তলে তলে প্রচার করা হয় শিক্ষাকতা মহান পেশা। কজেই তারা মহত্ত্ব নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরে।

চায়ের দোকানে পান চিবাতে চিবাতে বকাটেরা বলে শিক্ষকেরা সমস্ত টাকা খেয়ে ফেলছে, এ কথা গুলো কেনো বলা হয়। তাঁরা অনেক জরুরী দায়িত্ব পালন করেন। তাদের যখন অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয় তখন অস্বীকার করলে ঘটে সমুহ বিপদ। রাজনৈতিক শীল মোহর মেরে দেওয়া হয়। শিক্ষকদের দিয়ে অসত্য ভাষন দিতে বাধ্য করা হয়।এই জ্ঞানী মানুষ গুলো সমাজের পিছিয়ে পডা অংশ। তাদের সম্মানের স্তর উন্মীতো করা দরকার। কারণ আগামীতে যদি তারা অধিক শ্রম না দেন তবে জাতি অনেক অনেক পিছনে চলে যাবে।

সম্প্রতি বিদ্যালয়ে অন্য একটি বিষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে সেটা হলো ম্যানিজিং কমিটি। ডিউ লেটারের বৌদলতে বকাটেরা স্থান করে নিচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ পদবী। শিক্ষানুরাগী হিসাবে জমি দিয়ে অর্থ দিয়ে যারা একদিন বিদ্যালয় প্রতিষ্টা করেছিলেন তাদের কোনো মার্যাদা নেই।
যারা বিদ্যালয়ের ফান্ড তসরুপ, নিয়োগ বানিজ্য করে তাদের কমিটিতে স্থান দেওয়া হচ্ছ।

হাস্যকর ব্যাপার হচ্ছে ইদানিং বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটি বিক্রি বা ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে দোকানে বসে। অথচ তারা বানভাসী মানুষের ত্রাণ নিয়ি টানাটানির জন্য হেনোস্তা হয়েছিলো এখন নাকি সভাপতি হবেন তারা কয়েকজন। বিদ্যালয়ের সরকারী অনেক অনুদান সেদিকে নজর দিতে হবে তাদের। মহোদয়ের কাছে যদি তাদের নাম না যায় তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের খবর আছে। যারা এসমস্ত কথা বলে তাদের থেকে জাতীর
কি! আশা করা যায়। এদেরকে স্থান করে দিলে বিদ্যালয় হবে বিচারালয়, মানুষ ধরে এনে বিদ্যালয়ে বিচার করবে। শিক্ষাঙ্গগণ একটি সংবেদনশীল জায়গা, সেখানে সর্বগ্রহন যোগ্য মুরব্বি, এবং
সৎ মানুষ, শিক্ষানুরাগী, প্রতিষ্টাতা গ্রুপের লোকজনকে পদায়ন করা উচিৎ। নইলে ভালো কাজের প্রতি মানুষের আগ্রহ চলে যাবে। বিদ্যালয়গুলোতে সরকরী নজরধারী আছে। সেখানে ভালো মানুষ কমিটিতে থাকলে ভালো হয়। অনর্থক বাচাল প্রকৃতির লোকজন দিয়ে শিক্ষকদের ঠটস্ত করে রাখার দরকার কি? সমাজ, জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তাবৃন্দের প্রতি একান্ত অনুরোধ দূর্জনদের প্রতিরোধ করুণ।তারা তাদের জায়গায় থাকুক।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2020 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com