August 9, 2026, 8:41 am
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়া সদর ইউনিয়নের গোঁয়াখালী বটতলীয়াপাড়া গ্রামের হাজী শফর মুল্লুকের ছেলে নুরুল হোসেন তার ছোট দুই ভাইয়ের সাথে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, বড় ভাই নুরুল হোসেন ও তার ছোট দুই ভাই আমিরুজ্জামান, আশরাফুজ্জামান পেকুয়া বাজারে দীর্ঘদিন ধরে মুদির দোকানে যৌথভাবে ব্যবসা করে আসছিল। উক্ত দোকানে ৪ কড়া জায়গা খরিদ করার প্রয়োজন হওয়ায় তিন ভাই যৌথভাবে সমান অংশে টাকা প্রদান করে বড় ভাইকে রেজিষ্ট্রি নেওয়ার জন্য পাঠান। এ দিকে বড় ভাই নুরুল হোসেন প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অপর ছোট দুই ভাইয়ের নাম বাদ দিয়ে নিজের একক নামে রেজিষ্ট্রি সম্পাদন করে। যার দলিল নং ২২০০, তারিখÑ২৯-১০-১৫ ইং। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক হয়। বৈঠকে বড় ভাই নুরুল হোসেন নিজের দোষ স্বীকার করেন। বিগত ১৭-০৩-১৭ ইং তারিখ ৩শ টাকার নন জুড়িশিয়াল ষ্ট্যাম্পে লিখিত অঙ্গীকারনামা প্রদান করেন বড় ভাই নুরুল হোসেন। তিনি অপর দুই ভাই প্রত্যেককে ১.১১ কড়া করে জমি রেজিস্ট্রি দেবে মর্মে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন। উক্ত অঙ্গীকার নামার স্ট্যাম্পটি তিন ভাই যৌথভাবে বিশ^াস করে গোঁয়াখালী গ্রামের মৃত শফিকুর রহমানের ছেলে আলী আহমদের নিকট আমানত রাখেন। এ দিকে বিগত ২৭-০৫-২১ ইং ভোরে বড় ভাই নুরুল হোসেন ওই আলী আহমদের বাড়িতে ঢুকে সুকৌশলে স্ত্রী থেকে স্ট্যাম্পটি নিয়ে ফেলে। স্ট্যাম্পে আগের স্বাক্ষরটি কেটে দিয়ে পুনরায় অন্য একটি এলোমেলো স্বাক্ষর প্রদান করে। বড় ভাই ছোট দুই ভাইয়ের সাথে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে দোকান আত্মসাতের পাঁয়তারা করছে। এ ব্যাপারে স্ট্যাম্পের আমানতদার আলী আহমদ বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন। এর প্রতিকার চেয়ে ছোট দুই ভাই আমিরুজ্জামান ও আশরাফুজ্জামান বাদী হয়ে পেকুয়া বাজার বণিক সমিতির বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভূক্তভোগী আশরাফুজ্জামান জানান, বড় ভাই আমাদের দোকান ঘরের জায়গা দেওয়ার কথা বলে যৌথভাবে সমান টাকা নিয়েছে। কিন্তু সে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে দলিল থেকে আমাদের নাম বাদ দেয়। এ ব্যাপারে পেকুয়া থানা প্রশাসন, বাজার সমিতিসহ সকলের নিকট সুষ্টু বিচার কামনা করছি।