August 9, 2026, 7:38 am

পেকুয়ায় থানায় অভিযোগ দেয়ায় কেটে নিল জমির ধান শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ

পেকুয়ায় থানায় অভিযোগ দেয়ায় কেটে নিল জমির ধান শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২৪ এপ্রিল দৈনিক সাঙ্গু পত্রিকা ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে পেকুয়ায় থানায় অভিযোগ দেয়ায় কেটে নিল জমির ধান শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি সঠিক নয় বিধায় আমি ওই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সংবাদের মর্মমতে আমি ও আমার পরিবার কারো জমি থেকে ধান কেটে নিয়ে যায়নি। সংবাদের তথ্য উপস্থাপনকারী কফিল উদ্দিন একজন মিথ্যাবাদী ও ষড়যন্ত্রকারী। বারবাকিয়া মৌজার যে ৯ শতক জমি নিয়ে কথা বলা হয়েছে তা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। মূলত আমরাই ওই জমিতে চলতি বুরো মৌসুমে ফসল রোপন করি। ফসলগুলি আমরা কেটে নিয়ে গেছি। এখানে কফিলের কোন যৌক্তিক দাবী থাকতে পারেনা। কফিল একের পর এক মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাদেরকে নিয়ে বার বার চক্রান্ত করছে। সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে সে লাগামহীন অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। আমি প্রতিবাদকারী একজন অসুস্থ মানুষ। হাঁটা চলাও করতে পারিনা। বলা হয়েছে আমি জমিতে এসে ধান কেটে নিয়ে গেছি। আপনারা আমার শারীরিক অবস্থা দেখলে বুঝতে পারবেন কফিলের বক্তব্য ও বাস্তবতা কতটুকু অমিল। আমি অত্যন্ত সুনামের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য করে চলতেছিলাম। পেকুয়া বাজারের একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ছিলাম। বাজার পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারীও ছিলাম। কৃষকলীগ পেকুয়া উপজেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। বর্তমানে কৃষকলীগ জেলা কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছি। আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক মান মর্যাদা ক্ষুন্ন করতে কফিল এ ভাবে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে। আমার পিতা ও কফিলের পিতা আপন ভাই। বিরোধীয় জমিটি আমার বাবার একক আরএস রেকর্ডীয় সম্পত্তি। বিএসে কফিলের পিতাও মালিক হন। তবে বিএস ৬১২ নং খতিয়ানে আমার বাবা ওমর মিয়া ও কফিলের পিতা মফজল মিয়া সমান অংশে ৩৬ শতক হারে মালিক। মফজল মিয়া তার অংশ থেকে একাধিক ব্যক্তিকে জমি রেজিষ্ট্রি দেন। এবিসি সড়ক নির্মাণের সময় ২৪ শতক জমি অধিগ্রহণ করে। অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরনের টাকা আহমদ মিয়ার ছেলে ইব্রাহীম উত্তোলন করে। এরপর মাষ্টার নুরুল আবছার গংকে ১৮ শতক, কফিল গংকে ৯ শতক বিক্রি করে দেয়। কফিলের পিতা দলিল মূলে ৯ শতক জায়গা খরিদ করে যা শর্তহীন দলিল ছাড়া আর কিছু না। এই খতিয়ানে প্রাপ্ত অংশের চেয়ে আরো অধিক বিক্রয় করেছেন। তবে সম্প্রতি একটি বিতর্কিত সালিশে রোয়েদাদ নিয়ে তারা আমাদের জমি জবর দখলের পায়তারা করছে। উক্ত সালিশি রোয়েদাদে দিচ্ছে বিভ্রান্তিকর তপশীল। যা পড়ে দেখলে আসল চিত্র দেখতে পারবেন। ইতিপূর্বে কফিল গং আমার ছোট ভাই আবুল কালামকে কুপিয়ে জখম করে এবং পরে তা প্রতিবাদ করলে আবদুল মান্নানকেও মারধর করে। ২০১৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এ ঘটনায় পেকুয়া থানায় মামলা রুজু হয়েছে। যার মামলা নং এসআর ২০৭/১৯। এরপর বুধামাঝিরঘোনায় আবুল কালামের পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে নেওয়া জায়গাটি নিয়ে তারা আমাদের সাথে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত রয়েছে। এই জায়গার বিষয়ে কক্সবাজার জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এস,আর ৬২৩/২০ মামলা চলমান রয়েছে। তারা আমাদের ফসলী জমি বুধামাঝিরঘোনা, বারাইয়াকাটা, পেকুয়া হরিণাফাঁড়ি তিনটি জায়গায় তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। পেকুয়া থানায় অনেক অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে এই কল্প কাহিনী রটিয়ে মানুষের জায়গা জমি দখল করা কফিল গংদের কাজ। সুতারাং প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
আবদুল মান্নান
পিতা: মৃত ওমর মিয়া
ঠিকানা: বারাইয়াকাটা, ইউনিয়ন: বারবাকিয়া, পেকুয়া, কক্সবাজার।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2020 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com