August 9, 2026, 7:37 am
গত ২৪ এপ্রিল দৈনিক সাঙ্গু পত্রিকা ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে পেকুয়ায় থানায় অভিযোগ দেয়ায় কেটে নিল জমির ধান শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি সঠিক নয় বিধায় আমি ওই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সংবাদের মর্মমতে আমি ও আমার পরিবার কারো জমি থেকে ধান কেটে নিয়ে যায়নি। সংবাদের তথ্য উপস্থাপনকারী কফিল উদ্দিন একজন মিথ্যাবাদী ও ষড়যন্ত্রকারী। বারবাকিয়া মৌজার যে ৯ শতক জমি নিয়ে কথা বলা হয়েছে তা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। মূলত আমরাই ওই জমিতে চলতি বুরো মৌসুমে ফসল রোপন করি। ফসলগুলি আমরা কেটে নিয়ে গেছি। এখানে কফিলের কোন যৌক্তিক দাবী থাকতে পারেনা। কফিল একের পর এক মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাদেরকে নিয়ে বার বার চক্রান্ত করছে। সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে সে লাগামহীন অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। আমি প্রতিবাদকারী একজন অসুস্থ মানুষ। হাটা চলাও করতে পারিনা। বলা হয়েছে আমি জমিতে এসে ধান কেটে নিয়ে গেছি। আপনারা আমার শারীরিক অবস্থা দেখলে বুঝতে পারবেন কফিলের বক্তব্য ও বাস্তবতা কতটুকু অমিল। আমি অত্যন্ত সুনামের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য করে চলতেছিলাম। পেকুয়া বাজারের একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ছিলাম। বাজার পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারীও ছিলাম। কৃষকলীগ পেকুয়া উপজেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। বর্তমানে কৃষকলীগ জেলা কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছি। আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক মান মর্যাদা ক্ষুন্ন করতে কফিল এ ভাবে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে। আমার পিতা ও কফিলের পিতা আপন ভাই। বিরোধীয় জমিটি আমার বাবার একক আরএস রেকর্ডীয় সম্পত্তি। বিএসে কফিলের পিতাও মালিক হন। তবে বিএস ৬১২ নং খতিয়ানে আমার বাবা ওমর মিয়া ও কফিলের পিতা মফজল মিয়া সমান অংশে ৩৬ শতক হারে মালিক। মফজল মিয়া তার অংশ থেকে একাধিক ব্যক্তিকে জমি রেজিষ্ট্রি দেন। এবিসি সড়ক নির্মাণের সময় ২৪ শতক জমি অধিগ্রহণ করে। বিক্রিত জমির কাগজপত্র পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট হবে এ খতিয়ানে কফিলের বাবা প্রাপ্ত অংশের চেয়ে ৯ শতক জমি অধিক বিক্রি করেছেন। তবে সম্প্রতি একটি সালিশি রোয়েদাদ নিয়ে তারা আমাদের জমিতে আসার পাঁয়তারা করছে। খতিয়ান ও দাগ এক জায়গায় কিন্তু তারা রোয়েদাদে দিয়েছে বিভ্রান্তিকর তপশীল। যা পড়ে দেখলে আসল চিত্র দেখতে পারবেন। এর আগে কফিল গং আমার ছোট ভাই আবুল কালামকে কুপিয়ে জখম করে। ২০১৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের এ ঘটনায় পেকুয়া থানায় মামলা হয়েছে। তারা আমাদের ফসলীয় জমিতে তান্ডব চালিয়েছিল সে সময়। পাউবোর মালিকানাধীন জমি নিয়ে তারা আমাদেরকে হয়রানি করছে। এ জমি ২০২৩ সাল পর্যন্ত আমরা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ইজারা নিয়েছি। সবকিছু মিথ্যা । এ মিথ্যা কল্পকাহিনী রটিয়ে মানুষের জায়গা জমি দখল করা হচ্ছে কফিল গংদের কাজ। সুতারাং প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিভ্রান্ত না হতে সবিনয় অনুরোধ করছি।
প্রতিবাদকারী
আবদুল মান্নান
পিতা: মৃত ওমর মিয়া
ঠিকানা: বারাইয়াকাটা, ইউনিয়ন: বারবাকিয়া, পেকুয়া, কক্সবাজার।