August 9, 2026, 10:29 am

পুলিশ গিয়ে খুলল দোকানটির তালা

পুলিশ গিয়ে খুলল দোকানটির তালা

পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় পুলিশ গিয়ে খুলল দোকানটির তালা। দুবৃর্ত্তরা ভোরে গিয়ে দোকানে তালা লাগিয়ে দেন। একটি দোকানঘরের মালিকানা নিয়ে স্থানীয় দু’পক্ষের মধ্যে দ্বন্ধ প্রকট আকার ধারণ করে। বর্তমান দখলীয় পক্ষকে ওই দোকান থেকে বিতাড়িত করতে প্রভাবশালী একটি চক্র রাতেই দোকানে হানা দেয়। এ সময় তালাবদ্ধ দোকানটিতে আরেকটি তালা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। সকালে এসে দোকানে একটি নতুন তালা দেখতে পেয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ ও দ্বন্ধ তীব্রতর হয়। হঠাৎ দোকানটিতে তালা লাগিয়ে দেয়া নিয়ে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া হয়। খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছেন। এ সময় পুলিশ গিয়ে উত্তেজনা প্রশমিত করেন। তবে দু’পক্ষকে নিয়ে পুলিশ বৈঠক করেন। বৈঠকে দোকানটির স্থিতি অবস্থার বিষয়টি প্রাধান্য পায়। বিরোধ নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দোকানটি বর্তমান ভোগ দখলীয় পক্ষ নিয়ন্ত্রন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১৩ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল ৮ টার দিকে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের সবুজবাজারে এ ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সুত্র জানায়, সবুজবাজারে একটি দোকান ঘরের মালিকানা নিয়ে মৌলভীপাড়ার মৃত হাজী ছিদ্দিক আহমদের পুত্র মোসলেহ উদ্দিন গং ও আমিলাপাড়া কবরস্থান পরিচালনা কমিটির মধ্যে দ্বন্ধ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ওই দিন ভোরে সবুজবাজারে একটি দোকানে তালা ঝুলানো হয়েছে। দোকানটির মালিক মোসলেহ উদ্দিন গং। ১৫-১৬ বছর আগে ওই দোকান নির্মিত হয়েছে। সেই সময় থেকে মাসিকভাড়ায় মোসলেহ উদ্দিন ব্যবসায়ীদের নিকট ভাড়া দেন। বর্তমানে মিয়াজান সওদাগর ওই দোকানটি মোসলেহ উদ্দিনের কাছ থেকে নিয়ে মুদির দোকান করছেন। ওই দিন সকালে আমিলারপাড়ার মৃত মাহাবু আলমের পুত্র বদি আলম, মৃত ছৈয়দ আহমদের পুত্র জমির হোসেন সহ কয়েকজন এসে দোকানে তালা লাগিয়ে দেয়। এ ব্যাপারে মোসলেহ উদ্দিন জানান, দোকানটি আমার পৈত্রিক সম্পত্তি। মিয়াজান নিয়েছে ৫/৬ বছর আগে। এর আগে আরেকজন ব্যবসায়ী ১৩/১৪ বছর ব্যবসা করেছে। জমির হোছন গং সন্ত্রাসী কায়দায় দোকানটি জবর দখল করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তারা রাতে এসে দোকানে হানা দেয়। এরপর একটি নতুন তালা এনে দরজায় মেরে দেয়। মিয়াজান সওদাগর জানান, এটি আমি স্টোর রুম হিসেবে ব্যবহার করি। দোকানের মালামাল মজুদ আছে এ দোকানে। আমি ভাড়া দিয়ে থাকি মোসলেহ উদ্দিনকে। কবরস্থানের জায়গা বলে এখন দাবী উঠেছে। জমির হোসেন জানান, এ দোকানটি কবরস্থানের উপর নির্মিত। মোসলেহ উদ্দিন কবরস্থান কমিটিকে ভাড়া দিয়ে দোকান করছিলেন। কয়েক মাস ভাড়াও দিয়েছে। এখন ভাড়া দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা ব্যক্তি স্বার্থের জন্য দ্বন্ধে জড়িয়ে যায়নি। কবরস্থানের সম্পদ লুন্ঠন থেকে বাঁচাতে আমিসহ সকল মানুষ আজকে এর প্রতিবাদ করছি। পেকুয়া থানার এস,আই শাহ আলম জানান, আসলে খবর পেয়ে আমিসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স সবুজ বাজারে গিয়েছিলাম। বাজার কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা বসে দু’পক্ষকে নিয়ে বিরোধের বিষয়টি নিস্পত্তি করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2020 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com