August 9, 2026, 8:38 am
সাইফুল ইসলাম বাবুলঃ
বর্ষাকাল কাছে এসেছে , মনে হচ্ছে সূখে থাকবো না অতীতেও ছিলাম না। মনে হয় তার মাত্রা দ্বিগুন হবে।উন্নয়ন হবে হচ্ছে বলে উপকূলীয় বেড়ীবাধ অরক্ষিতো। শীত কালে বৃষ্টি ছিলো না। প্রকৃতি যে কোনো সময় রুদ্রমুর্তি ধারন করতে পারে।
উজান টিয়ার একটি রাস্তার কাজ শুরো হয়েছিলো আমাদের জন্মের পূর্বে, সেই রাস্তাটি আমাদের মৃত্যুর পরেও শেষ হয় কিনা সন্দেহ। পশ্চিম মগনামার দিকে কি আর থাকাবো। রাজাখালীতে রাস্তার কাজে কচ্ছপ গতি। বাকি ইউনিয়ন এর রাস্তা গুলাও সুখে নেই। এ তো গেলো আন্ত উপজেলার রাস্তার বয়ান।
আইন শৃঙ্খলা ভালো আছে। তবে বুকের ভিতোর চাপা কান্না। আগাছা দিয়ে সাজানো বাগান বান্দরহুলে ভরা তাই শাম্তিতে নাই। একবার বাগানে গেলে দ্বিতীয় বার কেউ যেতে চায় না। অন্যায়কারীরা ক্রমে কতৃত্বশীল হয়ে উঠছে। নেতৃত্ব নির্বাচনের হেয়ালীপনা এর জন্য দায়ী। যে একবার টোকাই একবার চেচরা, সে সবসময় টোকাই সবসময় চেচরা। তারা অার কি করিবে? তাই পূর্বের কাজ কারবার, বৃষ গরুর গায়ে শালের মতো। একটু খোলা চোখে দেখলেই দেখা যাবে তাদের কেউ পছন্দ করে কিনা। তাদের আর কতোকাল জোর করে গুরো বানাবেন। বানাতে পারেন তবে ডন্নস!
শেখ হাসিনা নৌ ঘাটিতে বিদেশী প্রকৌশলে কাজ চলছে তাই কাজের মান ভলো। তবে শ্রম শোষন ভালোভাবেই চলছে। নানারকম মধ্য সত্বভোগী তৎপর। কাজের আশায় স্থানীয় লোকজন বিড়তে পারেনা। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কর্মহানী ও বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ ব্যক্তির দয়া না পেলে গতরও কাটানো যাবেনা। স্থানীয় জমিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে তারাইতো বাস্তুচ্যুতো। তাদের কর্মের অগ্রাধিকার, কিন্তু পাচ্ছে কিনা, তাই বলাও যাচ্ছে না। কাঁদিতে কেহো পারবেনাকো যতই মরুক শোকে, তাদের এ অবস্থা।
অপর দিকে অনেক টাকার তহবিল গঠন করে গড়ে তুলা হচ্ছে সংযোগ সড়ক যার নাম বানৌজা শেখ হাসিনা সংযোগ সড়ক। সেই সড়ক তৈরি করতে কতোই যে অনিয়ম হচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জানলে নিশ্চয়ই রাগ করতেন। আসলে সাধারণের কথা সেখানে পৌছায়না। সরকার কি বলছে পরিবেশ বিধ্বংসী কাজ করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে? কিন্তু পরিবেশ আজ বিপন্ন। সমুদ্রের ঢালে কিংবা কুতুবদিয়া চ্যানেলের ঢালে জমাকৃতো বালির উপর দাড়িয়ে আছে উপকূল। সেখান থেকে বালি উত্তোলন হচ্ছে ফলে ভাঙ্গনের কবলে পড়বে উপকূল। সমুদ্রের বালি সরে গেলে প্রথমে চর ভাঙ্গবে তারপর পাড় ভাঙ্গবে, জীব বৈচিত্র্য নষ্ট হবে। আর সামুদ্রিক লোনা বালি ভেজা থাকা অবস্থায় সড়ক কিংবা ঘাটি ভরাটের কাজে ব্যবহার হবে। তাই অবকাঠামোর তলদেশ থাকবে নরম। ভবিষ্যতে ভাঙ্গন কিংবা দূর্ঘটনার কবলে পড়তে পারে।
লবনাক্ততার জন্য বালি ব্যাবহারে বিধি নিষেধ আছে তাহলে স্বপ্নের প্রকল্প দীর্ঘ মেয়াদী হবেনা। সড়ক হবে ভালো কথা তবে সড়কের জন্য অধিগ্রহণ নির্দ্দিষ্ট করা আছে। ঐ নির্দ্দিষ্ট অধিগ্রহণের উপর সড়ক হচ্ছে কিনা এবং কার স্বার্থে সড়ককে অন্যদিকে চেপে দেয়া হচ্ছে। সড়কের মান মনিটরিং করার জন্য কোন প্রকৌশলীকে দেখলাম না দেখছি দু একজন ফোরম্যান। তারা একবার এদিকে ভাঙ্গে অারেক বার বিপরীত দিকে ভাঙ্গে ভিতরের হেতু কি বুঝলাম না। যেখানে বালি ভরাটের কথা সেখানে মাটি। ম্যাকাডমে ব্যাবহার হচ্ছে নিন্ম মানের ইট কংক্রিট কম্পেকশানের কোনো পরীক্ষা নেই। তাই এক যুগেরও অনেকপর নির্মাণ করতে সময় লাগতে পারে এ সড়কটির।
ঠিকাদারে চেয়ে উপ ঠিকাদারের ক্ষমতা বেশী। তারপর অাছে বিশেষ বিবেচনায় সৃষ্ট স্থানীয় মোডল। হাইব্রিড মোডল গুলা যাচ্ছেতাই করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে অারেক পরিবেশ বিধ্বংসী কাজের জন্য জরিমানা খেয়েছে পাহাড় কাটার দায়ে। এখনো গাযের জোরে পাহাড় কাটলে ও সবাই নীরব।
কহল খালী খাল, সেই খালটির বিষম রক্ত ক্ষরন হচ্ছে। যে খালটি শতবছর ধরে পেকুয়ার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ। এ খালের পানি দিয়ে অত্র এলাকার বোরো ধানের চাষ হয়। কার স্বার্থে এ খলটিকে গলাটিপে ধরা হলো। সম্মানীত প্রতিবন্বীরা আপনারা কি বিষয়টি দেখেন নাই। খালের দিকে কেনো সড়কে ঠেলে দেয়া হলো। এখন শুনছি খালের ঐ পাডের জমি ভেঙ্গে খাল বড় করা হবে।একোয়ারের জাগায় যারা ছিলো তারা বড় কুটুম্ব নাকি? তাহলে একোয়ারাকি বাদ!
অধিগ্রহণের টাকা অনেক লোক পায়নাই, তাদের প্রাপ্যতার ব্যাপারে কেউ কিছু বলছেনা। আমরা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছি
মাতামুহুীর পানিতে এ এলাকায় বন্যা হতো আর খহল খালী খালটি বরাটের ফলে এখন স্বাভাবিক বৃষ্টিতে বন্যা হবে। উপজেলা সদর হিসেবে পয়ঃনিষ্কাশনের কোনো পরিকল্পনা আছে বলে মনে হয়না।
টাকা কামানোর ধান্দা করার সাথে সাথে জনগণের কথা ২% হলেও ভাবুন। মান্যবর ঠিকাদার মহোদয় এবং বানৌজা শেখ হাসিনা মহা সড়কের দায়িত্ব প্রাপ্তরা একটু এসে দেখে গেলে ভালো হয়। দ্রুত কিছু কাজ করে হলেও বর্ষামৌসুমে চলাচলের সুযোগ করে দিন। পদ- পদবী, অর্থ – ধান্দার দিকে নারুকে সবাই সবার কথা বলি, সবাই সুন্দর থাকি, না হয় সাবার সাথে আপনিও কাঁদবেন।