August 9, 2026, 7:34 am
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় গৃহবধূকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। পূর্ব শত্রæতার জের ধরে দুবৃর্ত্তরা ওই নারীকে বাড়ির একটি কক্ষে আটকিয়ে রাখে। এ সময় গৃহবধূকে মাথায় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। বুকে ও পায়ের গুড়ালিতেও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা নির্জন পাহাড়ী একটি বাড়ি থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ২০ মার্চ (শনিবার) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি ঢালারমুখ নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। জখমী মহিলার নাম সেলিনা আক্তার (২৬)। তিনি ওই এলাকার দিনমজুর মোহাম্মদ হাসানের স্ত্রী। স্থানীয় সুত্র জানায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যার দিকে হাসানের স্ত্রী সেলিনা আক্তার প্রতিবেশী মালেকের ছেলে আনোয়ারের বাড়িতে যান। জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে আনোয়ার এর আগে একটি মামলা রুজু করে। ওই মামলায় সেলিনার স্বামী হাসান জেলে ছিলেন। মামলার আপোষ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে দফা রফা হয়েছে। ওই দিন এ নিয়ে হাসানের স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও আনোয়ার গংদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এর সুত্র ধরে মালেকের ছেলে আনোয়ার, মৃত শের আলীর ছেলে ফজল কবিরসহ ৪/৫ জনের দুবৃর্ত্তরা সেলিনাকে বাড়ির ভিতরে টানা হ্যাঁচড়া করে নিয়ে যায়। এ সময় আটকিয়ে রেখে ওই নারীকে পিটিয়ে জখম করে। সেলিনার স্বামী মো: হাসান জানান, আমি লাকড়ি কুঁড়াতে পাহাড়ে গিয়েছিলাম। সন্ধ্যার দিকে আমার স্ত্রীকে তারা পিটিয়ে জখম করে। মূলত কাপড় চোপড় ছিড়ে ফেলে। তারা শ্লীলতাহানির চেষ্টাও করে। কয়েকজন শিশু বিষয়টি দেখতে পায়। তারা প্রতিবেশীদের গিয়ে বিষয়টি বলে। এরপর বাড়ির ভিতর থেকে লোকজন গিয়ে আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করে। বুকে, মাথায় ও পায়ের গুড়ালিতে জখম আছে। আহত সেলিনা আক্তার জানান, আমি চিৎকার করে বেঁচে গেছি। আমাকে নির্যাতনের চেষ্টা করা হয়। আহমদ ছবির স্ত্রী জাকেরা বেগম, গৃহবধূ খতিজা বেগমসহ আরো প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেলিনার আঘাত বেশী। লোহার রড দিয়ে পিটানো হয়েছে। পেকুয়া থানার ওসি সাইফুর রহমান মজুমদার জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।