August 9, 2026, 7:45 am
চকরিয়া(কক্সবাজার)প্রতিনিধি
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের সময় গুলিতে নিহত দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক কল্যাণ সোসাইটি নোয়াখালী জেলা প্রস্তাবিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে ও খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে কক্সবাজারের চকরিয়ায় বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক কল্যাণ সোসাইটি কক্সবাজার জেলা ও চকরিয়া উপজেলার যৌথ উদ্যোগে ২৫ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৩ টায় চিরিংগা স্টেশনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়েছে।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, নিহত হওয়ার ৫ দিন পরও মুজাক্কির হত্যার আসামিদের এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
তারা আরো বলেন, ঘটনার পর থেকে এ পর্যন্ত চারটি মামলা দায়ের হলেও এখন পর্যন্ত প্রকৃত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আসামিদের যথাযোগ্য শাস্তি নির্ধারণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তারা বলেন, থানায় দায়ের করা মামলাটি ইতোমধ্যে পিবিআইতে হস্তান্তর করা হয়েছে। একটি মামলা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল ও অন্য দুটি মামলা কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ দায়ের করেছে। কিন্তু কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক কল্যাণ সোসাইটি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদস্য সচিব সাংবাদিক এম, জুনাইদ উদ্দিন, কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক এম, রিদুয়ানুল হক, চকরিয়া উপজেলা সভাপতি সাংবাদিক আবুল মনসুর মো. মহসিন, সেক্রেটারি সাংবাদিক আব্দুল করিম বিটু প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি জেপুলিয়ন দত্ত, আব্দুল হামিদ, চকরিয়া উপজেলা সহ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফ, অর্থ সম্পাদক সাঈদী আকবর ফয়সাল, নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক মোস্তফা কামাল, সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম আজাদ, মাস্টার আলাউদ্দিন, নুরুল কবির, মো, সেলিম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশিরহাট তরকারি বাজারের সামনে সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বাদল গ্রুপের মধ্যে রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওই সময় সাংবাদিক মুজাক্কির সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে গুলিবিদ্ধ হন। এ অবস্থায় প্রথমে তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে ১৯ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়। একপর্যায়ে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় ২০ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১১টায় আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়।