August 9, 2026, 8:44 am
চকরিয়া(কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চকরিয়া আবাসিক প্রকৌশল অফিসের উপ সহকারী প্রকৌশলী ডি এম সাদিউজ্জামান সহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে চট্টগ্রাম দক্ষিনাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন ২২ নভেম্বর।
চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর মানিকপুর ১ নম্বর ওয়ার্ড মানিকনগর এলাকায় কয়েক যুগ ধরে বিদ্যুৎ বিহীন দিন কাটাচ্ছে শতাধিক পরিবার । এবিষয়ে বিদ্যুতের ২২টি খুঁটির জন্য এই বছরের ১৯ আগষ্ট সুরাজপুর মানিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম চকরিয়া আবাসিক প্রকৌশলীর কাছে বিদ্যুৎতায়নের জন্য আবেদন করেন। পরে চট্টগ্রাম বিউবো তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পওস সার্কেল ও কক্সবাজার বিউবো নির্বাহী প্রকৌশলী বিতরণ বিভাগ বরাবরেও লিখিত আবেদন করেন।
এ বিষয়ে সুরাজপুর মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, বিদ্যুৎ অফিসে কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেচ্ছাচারীতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছেনা। এই দুর্ণীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যথাযথ কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এত কিছুর পরেও কোন সুফল মিলছেনা প্রান্তিক মানুষগুলোর।
“আমরা টাকা দিতে পারছিনা বলেই, আমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ না দিয়ে, অন্য এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ দিচ্ছেন, বিউবো চকরিয়া’র উপ সহকারী প্রকৌশলী
ডি এম সাদিউজ্জামান” এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। সরেজমিনে জানাযায়, ১১ কে.বি লাইনের নিচে, মোবাইল কোম্পানির টাওয়ারের জন্যে (.4Kb) পয়েন্ট ৪কে.বি লাইন সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কাজটি করেছেন বলে, স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ। যাদের দেওয়া দরকার তাদের দেওয়া হচ্ছেনা বিদ্যুৎ সংযোগ।
অপর দিকে চকরিয়া বিদ্যুত অফিসের উপ সহকারী প্রকৌশলী
ডিএম সাদিউজ্জামানের
বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগে প্রধান প্রকৌশলী বিতরণ চট্টগ্রাম দক্ষিনাঞ্চল (বিউবো) বরাবর একটি অভিযোগ দেন চকরিয়ার স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগের বিষয়টি প্রধান প্রকৌশলী বিতরণ চট্টগ্রাম দক্ষিনাঞ্চলে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া যায়।
বিদ্যুৎ অফিসের অনিয়মের বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের কারনে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা অনুযায়ী ঘরে ঘরে বিদ্যুতায়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। তিনি চকরিয়া বিদ্যুৎ অফিসের দুর্ণীতিবাজ কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে, দ্রুত শাস্তির আওতায় আনবার জন্যে যথাযত কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাছাড়া পুরাতন যে খুঁটি গুলো আছে সেগুলো দীর্ঘদিন সংস্কার ও মেরামত না করায় প্রতিনিয়ত পতিত হচ্ছে দূর্ঘটনা। বৈদ্যুতিক খুটি/খাম্বার পরিবর্তে গাছের সাথে কোন রকম তার গুলো জুলে আছে।
উপ সহকারী প্রকৌশলী সাদিউজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হননি। চকরিয়া বিদ্যুৎ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী গীতি বসু চাকমা এর অফিসে গিয়ে প্রায় দুই ঘন্টা অপেক্ষা করার পরেও তিনি এই প্রতিবেদক কে সাক্ষাত দেননি বলে জানান।
দুর্ণীতিবাজ অফিসারকে অপসারণ করে, দ্রুত পুরাতন লাইন সংস্কার এবং বিদ্যুৎ না পাওয়া পরিবারগুলো কে বিদ্যুৎতের আওতায় আনার জন্যে এলাকাবাসী দাবি জানিয়েছেন।