September 19, 2026, 3:31 pm
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় জখমী সেই আবু বক্কর (৪০) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকার জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্তাবধানে ওই জখমী ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে পারিবারিক সুত্র জানায়, ধারালো কিরিচের কুপে তার ডান পায়ের গোড়ালিতে মারাত্মক আঘাত করা হয়েছে। ক্ষতস্থান দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তার শরীরে রক্ত শূন্যতা হওয়ায় তাকে চার ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুরের জাতীয় পুনর্বাসন সেন্টারে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পারিবারিক সুত্র জানায়, আবু বক্করের অবস্থা অপরিবর্তিত। তার ডান পায়ে অস্ত্রোপাচারও করা হয়। তবে ক্ষতের অবস্থা অধিক হওয়ায় ডা পায়ের অবস্থা কি হবে সেটি এখনো নিশ্চিত বলা যাচ্ছেনা। এ দিকে হামলার ঘটনায় পেকুয়া থানায় লিখিত এজাহার পৌছানো হয়েছে। জখমী ব্যক্তি আবু বক্করের স্ত্রী খালেদা বেগম বাদী হয়ে ১০ অক্টোবর পেকুয়া থানায় ওই এজাহার দায়ের করে। গত ৮ অক্টোবর বিকেল ৫ টার দিকে রাজাখালী ইউনিয়নের দশেরঘোনায় হামলার এ ঘটনা হয়েছে। সুত্র জানায়, কারেন্ট জালের বিরোধ নিয়ে ওই দিন মারপিট হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের আঘাতে খালেদা বেগমের স্বামী আবু বক্কর মারাত্মক জখম হয়েছেন। ওই ঘটনায় দশেরঘোনার আবদু রহমান, তার পুত্র আবদুল খালেক, রমজান আলী, আবদুল মালেক, আবদু রহমানের স্ত্রী ছৈয়দা খাতুনসহ ৫ জনকে আসামী করা হয়। পেকুয়া থানার এস,আই হেবজুর রহমান ৯ অক্টোবর (শুক্রবার) সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় পুলিশকে ঘটনার বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা অবহিত করেছেন। আবু বক্করের মেয়ে রেনুয়ারা বেগম জানান, আমার পিতার অবস্থা খুবই গুরুতর। সে দিন কিরিচ নিয়ে তাকে নিষ্টুর কুপিয়ে জখম করেছে। আবু বক্করের স্ত্রী খালেদা বেগম বলেন, আমার স্বামীকে পেকুয়া থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে স্থানান্তর করে। সেখানেও তাকে জবাব দেয়া হয়েছে। এখন ঢাকার মোহাম্মদপুরের জাতীয় পুনর্বাসন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শাশুড় নুর মোহাম্মদ জানান, চিকিৎসার জন্য আমার পরিবার থেকে অর্থ পৌছানো হয়েছে। আঘাত মারাত্মক। প্রত্যক্ষদর্শী শাহাদাত হোছাইন, জয়নাল আবদীন জানান, ছোট্ট ঘটনায় এ ভাবে একজন মানুষকে পঙ্গু করে দেয়া দেখে আমরা স্তম্ভিত হয়ে গেছি। আবু বক্করের অবস্থা অবনতির দিকে।