August 9, 2026, 8:44 am
সুমন চক্রবর্তী,যশোর জেলা প্রতিনিধি।। যশোর শহরের কোতয়ালী থানার পাশে জেস টাওয়ারের সামনে থেকে বোমা ফাটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই সাথে জড়িত ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটনার পর থেকে আজ বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারীদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো, শহরের পুলিশ লাইন টালিখোলা এলাকার শফি দারোগার বাড়ির ভাড়াটিয়া টিপু, বারান্দি মোল্লাপাড়ার রবিউল ইসলামের ছেলে সাইদ ইসলাম, ধর্মতলা হ্যাচারী পাড়ার রুহুল আমিনের ছেলে বিল্লাল হোসেন, সিটি কলেজ পাড়ার নিজাম উদ্দিনের ছেলে রায়হান এবং পূর্ব বারান্দিপাড়ার মৃত মুফতি আলি হোসেনের ছেলে ইমদাদুল হক।
আটকের পর ছিনতাই হওয়া টাকার মধ্যে তাদের দখল থেকে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৫শ’ টাকা এবং ছিনতাইকাজে ব্যবহৃত ২ চাকু, একটি ব্যাগ ও মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান পুলিশ সুপার মো আশরাফ হোসেন।
তিনি জানান, ছিনতাই কাজে জড়িত সবাই সমাজজবিরোধী। তাদের প্রত্যেকের নামে থানায় বিভিন্ন অপরাধের মামলা রয়েছে। ঘটনার পর ঘটনাস্থলের সিসি টিভির ফুটেজ এবং প্রযুক্তির ব্যবহার করে আসামীদের শনাক্ত করা হয়। এরপর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সমন্বয়ে অভিযান চালিয়ে শহরের ধর্মতলা, বসুন্দিয়া, আলাদিপুর, বারান্দিপাড়া, সিটি কলেজ পাড়া ও পুলিশ লাইন টালিখেলা এলাকায় একাধিক অভিযান চালিয়ে জড়িতদের আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, আটককৃতরা শহরের মনিহার এলাকায় চলাফেরা করে। ঐ এলাকাতেই মোটরপার্টস ও ফলের ব্যবসা করেন এনামুল হক। তাদের কাছ থেকেই গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশ্য দিবালোকে এরা টাকা ছিনতাই করে। জড়িত অন্যদেরকেও আটক করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
পুলিশ সুপার জানান, এ ঘটনার সাথে ৮/১০ জন জড়িত থাকতে পারে৷
ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সালাউদ্দিন শিকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) তৌহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপু সরোয়ার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক) সার্কেল গোলাম রব্বানী শেখ, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি সোমেন দাস, চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর রোকিবুজ্জামান ও এসআই মাসুদুর রহমান, সদর পুলিশ ফাড়ির ইন্সপেক্টর তুষার কুমার মন্ডলসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।