August 9, 2026, 7:47 am
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় হামলায় সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগ উপজেলার সভাপতিসহ ৫ জন আহত হয়েছে। এ সময় উত্তেজিত লোকজন বাড়ি ভাংচুর ও ব্যাপক লুটপাট চালায়। আহতদের উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ১৩ জুলাই বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের দক্ষিন সুন্দরীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- ওই এলাকার মৃত মফিজ উল্লাহর ছেলে সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগ পেকুয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মনছুর আলম (৪৫), ছেলে মো: হাবিবুল্লাহ (২৫), স্ত্রী শওকত আরা বেগম (৪০), মেয়ে সুনিয়া বেগম (১৯), মনছুর আলমের শাশুড়ী দিলোয়ারা বেগম (৬২)। ঘটনার জের ধরে দক্ষিণ সুন্দরীপাড়ায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সুত্র জানায়, গত ১ মাস আগে মনছুর আলমের মেয়ে সুনিয়া বেগমের বিয়ে চুড়ান্ত হয়। করোনা ভাইরাসের সময়ে ক্ষুদ্র আয়োজনে বিয়ের আনুষ্টানিকতা নির্ধারিত ছিল। স্থানীয় আবদুল মোনাফের ছেলে আনোয়ার হোসেন সুনিয়াকে প্রায় সময় উত্যক্ত করতেন। বাহিরের ছেলেকে বিয়ে না পড়াতে সুনিয়ার পিতাকে অনেকবার হুমকি ধমকি দেয়। এর সুত্র ধরে ওই বখাটে মনছুর আলমের মেয়ে সুনিয়ার বিবাহ থেমে দেয়। এ নিয়ে সুনিয়ার পিতা মনছুর আলম পেকুয়ার ইউএনও ও স্থানীয় ইউপির চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়। ঘটনার দিন বেলা ১১ টার দিকে এর সুত্র ধরে আবদুল মোনাফের ছেলে আনোয়ার হোসেন, দক্ষিন সুন্দরীপাড়ার মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে ছাদেক, তার ভাই আবদু রহমানসহ ৫/৬ জনের দুবৃর্ত্তরা ধারালো দা, কিরিচ নিয়ে মনছুর আলমের বাড়িতে হানা দেয়। এ সময় তারা বাড়ি ভাংচুরসহ ব্যাপক তান্ডব চালায়। হামলা চালিয়ে ৫ জনকে জখম করে। মনছুর আলমের স্ত্রী শওকত আরা বেগম জানান, বখাটে আনোয়ার আমার মেয়ের বিয়ে হতে দেয়নি। মনছুর আলমের ছেলে হাবিবুল্লাহ জানান, তারা জামায়াত-বিএনপি করে। প্রতিনিয়ত রাজনীতি নিয়ে আমাদেরকে ঘায়েল করার চেষ্টা করে। শুধু আ’লীগকে গালি গালাজ করা এদের কাজ। আমার পিতা প্রতিবাদ করলে তারা শুধু আমাদের উপর প্রতিশোধ পরায়ন হয়। সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগ পেকুয়া উপজেলার সভাপতি মনছুর আলম জানান, আমার মেয়ের জীবন বিপন্ন করতে বখাটেরা অপতৎপরতায় জড়িত। আমরা ৫ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে। নদীর চরে বসবাস করছি। বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে মূলত এ হামলা। তারা অনেক আগে থেকে আমার পিছুনে লেগে গেছে। নদীতে জাল বসাতাম। জাল বসা বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা হাসপাতালে আসার পর মেয়ে সুনিয়াকে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালায়। সন্ধ্যার দিকে কিছু মুখোশ পরিহিত বহিরাগত লোকজন এসে হুমকি দিয়ে চলে গেছে।