August 9, 2026, 8:39 am
রিয়াজ উদ্দিন,পেকুয়া
কক্সবাজারের পেকুয়ায় মগনামা ইউপির আবু ছালেক (২০) নামে এক গ্রাম পুলিশকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।
সোমবার (৬জুলাই) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ঘাট মাঝির পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আবু ছালেক মরিচ্যাদিয়া এলাকার কাইছার উদ্দিনের ছেলে। আহত গ্রাম পুলিশকে মগনামার চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরীর নির্দেশনায় দফাদার আলমগীরের নেতৃত্বে একদল গ্রাম পুলিশ উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
গ্রাম পুলিশ আবু ছালেক জানায়, মগনামা লঞ্চঘাট এলাকার মাছ ব্যবসায়ী ছরওয়ার বাদি হয়ে ঘাট মাঝির পাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে আবুল শামা ও তার ছেলে রবিউল আলমকে বিবাদী করে একটি অভিযোগ দায়ের করে। চেয়ারম্যান স্যার ওইদিন আমাকে তাদেরকে ডাকা পাঠান। তাদের বাড়িতে গেলে আব্লু শামাসহ তার পরিবারের লোকজন আমাকে অবরুদ্ধ করে মারধর করে। এ সময় আবুল শামা আমাকে ছুরিকাঘাত করে।
মগনামা ইউপির দফাদার আলমগীর জানায়, চৌকিদার আবু ছালেককে ছুরিকাঘাত করার খবর পেয়ে চেয়ারম্যানের নির্দেশে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। গ্রাম আদালতে দেয়া অভিযোগের বাদি সরওয়ার বলেন, আবুল শামার ছেলে রবিউল আলম আমার দোকানের কর্মচারী ছিল। গত এক সপ্তাহ আগে আমার দোকান থেকে তালা ভেঙ্গে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা চুরি করে রবিউল আলম। রবিউব আলমকে চেয়ারম্যানের কাছে নিয়ে যাই। রবিউল আলম টাকা নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেন চেয়ারম্যানের কাছে। টাকাগুলি দুইদিন পর ফেরত দেয়ার কথা বলে রবিউল ও তার পিতা আবুল শামা। পরে টাকা না দিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান রবিউল। আজ রবিউল বাড়িতে আছে খবর শুনে চেয়ারম্যানকে অবগত করি।
মগনামা ইউপির চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম জানিয়েছেন, গ্রাম আদালতে ১লাখ ৬৫ হাজার টাকা চুরির একটি অভিযোগ ছিল। টাকা পরিশোধের দুইদিনের সময় নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় বিবাদী রবিউল আলম। রবিউল বাড়িতে আসার খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ আবু ছালেককে দিয়ে পরিষদে হাজির হতে ডেকে পাঠায়। বাড়িতে গেলে আবুল শামাসহ আরো কয়েকজন মিলে গ্রাম পুলিশকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে।
পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।