August 9, 2026, 8:55 am
চকরিয়া প্রতিনিধি
বাংলাদেশ নারী উন্নয়ন কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত কমিটিতে নারী উন্নয়ন ফোরামের কক্সবাজার জেলা শাখার কো-অডির্নেটর নির্বাচিত হয়েছেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান (প্যানেল চেয়ারম্যান -১) ও উপজেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি,চকরিয়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা জেসমিন হক জেসি চৌধুরী।
সম্প্রতি বাংলাদেশ নারী উন্নয়ন ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির ওয়েব সাইটে এ সংক্রান্ত একটি নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে দেশের ৬৪ জেলায় ৬৪জনকে জেলার কো-অডিনের্টর পদে নির্বাচিত করা হয়েছে। নির্বাচিত সবাই দেশের বিভিন্ন উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত নারী ভাইস চেয়ারম্যান।
এদিকে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জেসমিন হক জেসি চৌধুরী নারী উন্নয়ন ফোরামের কক্সবাজার জেলা শাখার কো-অডির্নেটর নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চকরিয়া-পেকুয়া (কক্সবাজার-১) আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী, চকরিয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী।
একইসঙ্গে অভিনন্দন জানিয়েছেন চকরিয়া উপজেলার ফাসিয়াখালী, খুটাখালী, ডুলাহাজারা, কাকারা, বমুবিলছড়ি, কৈয়ারবিল, লক্ষ্যারচর, সুরাজপুর-মানিকপুর, বরইতলী, হারবাং, সাহারবিল, পুর্ববড় ভেওলা, বিএমচর, চিরিঙ্গা, পশ্চিম বড়ভেওলা, ঢেমুশিয়া, কোনাখালী ও বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সকল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) এবং চকরিয়া উপজেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সকলস্তরের নেতৃবৃন্দ।
নারী উন্নয়ন ফোরাম সরকারের সহযোগি প্রতিষ্ঠান সমাজে নানাভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের কল্যাণে কাজ করছেন। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বধীন আওয়ামীলীগ সরকার গঠনের পর ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ সালে নারীদের কল্যাণে ও সার্বিক সহায়তা নিশ্চিতে এই ফোরাম অনুমোদন দেওয়া হয়। মুলত সরকারি নীতিমালার আলোকে নারী উন্নয়ন ফোরাম এ রূপান্তরিত হয়। এই ফোরাম নারী জনপ্রতিনিধি কর্তৃক পরিচালিত একটি সংগঠন। যার পরিধি দেশব্যাপী।
বাংলাদেশ নারী উন্নয়ন ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির ওয়েব সাইটে এ সংক্রান্ত একটি নতুন কমিটি অনুমোদন দেয়ার পর জেলার কো-অডিনের্টর পদে নির্বাচিতদের কর্মপরিধি নিয়ে একটি পত্রাদেশ তুলে ধরা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, নির্বাচিত কো-অর্ডিনেটর নিজ জেলার অন্যান্য উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের সাথে যোগাযোগ সমন্বয় করে চলমান করোনা পরিস্থিতিতে প্রতিটি জনপদে অসহায় নারীর সহায়তার জন্য নারী উন্নয়ন ফোরামকে সংগঠিত করার লক্ষ্যে অনলাইনে নারী প্রতিদিন অনুসরণ করবে।
সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিপত্রে বর্ণিত ৩% শতভাগ নারী উন্নয়ন ফোরামের অনুকূলে বরাদ্দের উদ্যোগ গ্রহণপূর্বক অসহায় নারী সহায়তায় ব্যয় করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনার সাথে নারী উন্নয়ন ফোরামকে যুক্ত করা নিশ্চিত করবে।
নারী উন্নয়ন ফোরামের লক্ষ্য: ফোরাম কর্তৃক প্রত্যেক উপজেলায় নারী উন্নয়ন তহবিল গঠন ,ব্যাংক হিসাব চালু ও ব্যবসা জোরদারকরণ। যেমন: সরকারী নীতিমালার আলোকে বার্ষিক এক লক্ষ টাকার কম আয়ের এর পরিবার চিহ্নিত করে পাড়া-মহল্লা কেন্দ্রিক ২০-২৫ জনের কর্ম দল গঠন পূর্বক সুদ মুক্ত ঋণ দানের মাধ্যমে ব্যবসা নিশ্চিত করবে। সমাজে নানাভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের দক্ষতা অর্জন নিশ্চিতে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করবে। নারী নির্যাতন বাল্য বিয়ে ইভটিজিং প্রতিরোধে কার্যকর ভুমিকা রাখবে নারী উন্নয়ন ফোরাম।