August 9, 2026, 9:56 am
ইবি প্রতিনিধি :
বুুয়েটের পরে এবার অস্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়। শাখা ছাত্রলীগের বিদ্রোহী গ্রæপের নেতাকর্মীরা এর নেপথ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তারা বহিরাগত, মাদকাসক্ত ও অছাত্রদের সাথে নিয়ে এ কর্মকান্ড পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিদ্রোহী গ্রæপের ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান লালন ও ফয়সাল সিদ্দীকি আরাফাতের নেতৃত্বে দলীয় টেন্টের পাশে অবস্থান নেয় ২০ থেকে ৩০ জন ছাত্রলীগ কর্মী। এসময় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ অন্যান্য নেতা-কর্মীদের নিয়ে দলীয় টেন্টে বসে ছিলেন।
এসময় মাদকাসক্ত অবস্থায় ছাত্রলীগ কর্মী বিপুল, শাহজালাল ইসলাম সোহাগ, অনিক ও স্বপ্নসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশকে বিভিন্ন অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিয়ে দলীয় টেন্ট ও ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যেতে বলে। এতে সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ ক্ষোভে ও মনক্ষুন্ন হয়ে দলীয় টেন্ট ত্যাগ করেন।
এবিষয়ে বিদ্রোহী গ্রæপের ছাত্রলীগ কর্মী শাহজালাল ইসলাম সোহাগ বলেন, এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আবরার হত্যার বিচার দাবিতে আমরা ক্যাম্পাসে লিফলেট কিতরণ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইবি শাখা ছাত্রলীগের এক সাবেক সভাপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি যেখানে সকল ইউনিটকে এক হয়ে কাজ করে যেতে নির্দেশনা দিয়েছেন সেখানে কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তকে অমান্য করে বিদ্রোহী গ্রæপের নেতা-কর্মীরা ক্যাম্পাসের পরিবেশ বিঘিœত ও ছাত্রলীগকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।
এবিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ বলেন, মাদকাসক্ত অবস্থায় কয়েকজন আমাকে গালি দিয়েছে, যা ছাত্রলীগ কর্মীদের কাছে কোন ভাবেই আশা করা যায় না। অনেক আগে থেকেই এদের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের ও বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্রাচার্য বলেন,‘ আমরা দেশব্যাপি প্রত্যেকটি বিশ^বিদ্যালয়ে আবরার হত্যার বিচারের দাবিতে লিফলেট বিশ^বিদ্যালয়ের সভাপতি সেক্রেটারী বরাবর পাঠিয়েছি। সেখানে ইবির সভাপতি সেক্রেটারী যদি না পেয়ে থাকে তবে সেখানে হয়ত কোন সমস্যা আছে। ইবি ছাত্রলীগের চলমান বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।’