August 9, 2026, 7:34 am
চকরিয়া প্রতিনিধিঃ
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নস্হ মালুমঘাটে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আহমদ কবিরের ১একর জমির উপর রোপিত ধানক্ষেত ধ্বংস করল শাহ আলমগংরাসহ তাদের ভাড়াটিয়া মাস্তানেরা।গত ১৩ আগষ্ট সন্ধ্যার পরে রোপিত ধানক্ষেত ধ্বংস করা হয়েছে।
জানা যায়,ধ্বংসকৃত ধানক্ষেতের মালিক আহমদ কবির,ডুলাহাজারা ইউপির ১নং ওয়ার্ডের ভিলেজার মৃত সোলতান আহমদের পুত্র।
ভূক্তভোগি আহমদ কবির প্রতিবেদককে জানান,আমার পিতা মৃত সোলতান আহমদ ছিলেন,ডুলাহাজারা বনবিটের রেজিঃ ভিলেজার।আমার পিতার বয়োবৃদ্ধকালে যখন আমরা ছোট বা নাবালক ছিলাম।এমতাবস্হায় আমার পিতার পালক পুত্র লাল মিয়াকে ভিলেজারী দায়িত্বভার অর্পন করেন।কারণ এসময় আমাদের সৎ ভাই লাল মিয়া প্রাপ্ত বয়স্ক ছিল।হঠাৎ র্দূলোভের বর্শবর্তী হয়ে আমার পিতার ভোগদখলীয় ভিলেজারী সম্পদ থেকে আমরা ওয়ারিশগণকে উধাও করার লক্ষে মৃত লাল মিয়ার পুত্র শাহ আলমগংরা একের-পর এক আমাদেরকে মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে।এরপরও গত বছর বনবিভাগকে আসামী করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন।এবিষয়ে নিষ্পত্তি করার জন্য ডুলাহাজারা বনবিট কর্মকর্তা ১৬ আগষ্ট বিচারের সময় নির্ধারণ করেন।সময় নির্ধারণকালে আমরা যে যতটুকু জমিতে ভোগ-দখল আছি।এর মধ্য স্হিততিশীল থাকারও নির্দেশ দেন।সে অনুপাতে আমার ভোগদখলীয় জমিতে ধান রোপন করি।ধান রোপনের উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে গত ১৩ আগষ্ট সন্ধ্যার পরে রাতের আধারে আমাদের অগোচরে ১একর চেয়েও বেশী জমির রোপিত ধান ধ্বংস করে দেন।তারা হলেন,আমার সৎ ভাই মৃত লাল মিয়ার পুত্র শাহ আলম,জাফর আলম(ভুলু ফকির),ছাবের,মনজুর আলম।সাথে আরো ছিলেন,জাফর আলম(ভুলু ফকির)এর পুত্র হেলাল উদ্দিন(গুরাইয়া) সহ তাদের স্ত্রী ও ভাড়াটিয়া ৭/৮জন মাস্তানেরা।জমির স্হানগুলো হল,ধমের ধারি,বড়ধারি,বাহিরের ঘোনা।এসব ঘটনা শুনে আমার ভাতিজা গিয়াস উদ্দিন গত ১৪ আগষ্ট ধ্বংসকারী শাহ আলম,ভুলু ফকির ও ছাবেরকে সন্ধ্যায় মালুমঘাট বাজারে বেলালের দোকানের সামনে ধ্বংস্তক কর্মকান্ড চালিয়েছে কেন জিজ্ঞাস করলে,এসময় তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়েছে।এই বাকবিতন্ডাকে কেন্দ্র করে শাহ আলমগংরা আমাদের বিরুদ্ধে উল্টো মামলা করা চেষ্টা চালাচ্ছে শুনেছি।
বাজারে দু’পক্ষের বাকবিতন্ডা মিমাংস করতে গেলে,আমার ভাতিজা জয়নালের একটি স্কীনর্টাচ মোবাল সেট ও মেয়ে জন্য বাজার করতে আনা ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছেন শাহ আলম।
ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে, ডুলাহাজারার বনবিট কর্মকর্তা মোঃইলিয়াছ হোসেন মুঠোফোনে বলেন,ভিলেজার মৃত সোলতানের ভোগদখলীয় জমি হারাহারি ভাবে ভোগ করে আসছিল দু’পক্ষ।হঠাৎ তাদের মধ্য পক্ষপাতিত্ব হয়ে মামলা মোকদ্দমায় লেগে যায়।এমন কি এক পক্ষ বনবিভাগকে আসামী করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছে।পরে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য ১৬ আগষ্টের দিনটি ধার্য্য করি।তবে যারা যেভাবে জমি ভোগ-দখলে আছে এর মধ্য থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।এখন ১৩ আগষ্ট আহমদ কবিরের প্রায় একর রোপিত জমির ধান ধ্বংস করে দিয়েছে অন্যপক্ষ।এ ধ্বংসের ছবিও আমরা সংগ্রহ করেছি।আবার শুনেছি তারা দু’পক্ষের মধ্য মালুমঘাট বাজারে বাকবিতন্ডাসহ হাতিহাতি হয়েছে।বিষয়টি ওয়ার্ড মেম্বারকে বলার আহবান করেছি আমার কাছে আসা শাহ আলমগংকে।