August 9, 2026, 10:29 am

সমবায় কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবিতে পেকুয়ায় ব্যবসায়ী নেতার সংবাদ সম্মেলন

সমবায় কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবিতে পেকুয়ায় ব্যবসায়ী নেতার সংবাদ সম্মেলন

পেকুয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় কবির আহমদ চৌধুরী বাজারের ব্যবসায়ী নেতারা চান উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা কামাল পাশা ও জেলা সমবায় কর্মকর্তা ইমরান হোসেনের অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। নানা দুর্ণীতি, ব্যাপক ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ আনা হয়েছে সমবায় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। ওই দুর্ণীতিবাজ, ঘুষখোর কর্মকর্তাদের অপসারণসহ শাস্তির দাবীতে পেকুয়া বাজার ব্যবসায়ী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি: এর নেতারা সংবাদ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন। এ সময় লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন পেকুয়া বাজার ব্যবসায়ী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি: এর ব্যবস্থাপনা কমিটি নির্বাচনের ২০১৯ এর সাধারন সম্পাদক (সেক্রেটারী) প্রার্থী ও সাবেক ডিরেক্টর , বাজারের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শফি। ৮ জুন (সোমবার) বিকেলে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে। পেকুয়া বাজারস্থ বাহাদুর শাহ মার্কেটে মোহাম্মদ শফির ব্যবসায়ীক কার্যালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলনে পেকুয়ার গণমাধ্যম কর্মী, ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। লিখিত বক্তব্যে সাধারন সম্পাদক প্রার্থী মো: শফি জানান, আমরা অবিলম্বে পেকুয়া থেকে ঘুষখোর, দুর্ণীতিবাজ সমবায় কর্মকর্তা কামাল পাশার ও জেলা সমবায় কর্মকর্তা ইমরান হোসেন এর অপসারণ ও শাস্তি দাবী করি। কামাল পাশা ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে এ পেকুয়াকে কলুষিত করেছেন। সমবায় সমিতিগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে। তিনি পেকুয়ায় আসার পর থেকে পেকুয়ার সমবায় সমিতিগুলোর মূলধন লোপাটে বিভিন্নভাবে ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতা ও কর্মচারাীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা গ্রহন করছে। এসুযোগে পেকুয়া বাজার ব্যবসায়ী কো অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ সহ বিভিন্ন সমবায় সমিতি থেকে ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতা ও কর্মচারীরা সাধারন সদস্যদের জমানো কোটি কোটি টাকা আত্মসাতে মেতে উঠে। সমবায় বিধিমালা লংঘন করে ওই কর্মকর্তা একপেশী নির্বাচন প্রক্রিয়া চুড়ান্ত করার পক্ষে। আমরা স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পেকুয়া বাজার ব্যবসায়ী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি: এর নির্বাচনের পক্ষে। কিন্তু ওই সমবায় কর্মকর্তাগন এ প্রতিষ্টানকে বিভক্তি করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত রয়েছে। ২০১৯ সালের এ নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহনের দিনক্ষন চুড়ান্ত ছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ১৯ তারিখ। ভোটার তালিকা ও একপেশী নির্বাচন স্থগিত করতে মহামান্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন হয়েছে। যার রীট মামলা নং ৩৯০/২০। ওই রীট মামলায় গত ১৬জানুয়ারি ৬ মাসের জন্য ভোট স্থগিত করার আদেশ দেন হাইকোর্ট। ২২জানুয়ারি ওই সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির মেয়াদও শেষ হয়ে যায়। ফলে সমবায় সমিতি আইন ও বিধিমালা অনুযায়ি সমবায় আইনের ১৮ (৫) ধারা মতে কমিটি করা আবশ্যাক হওয়ায় আমরা সাধারন সদস্য সহ জেলা সমবায় কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করি। যথাসময়ে নির্বাচন না হওয়ায় জেলা সমবায় অফিসার আইন অনুযায়ি ব্যবস্থা না নিয়ে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা কামাল পাশার দ্বারা অন্যায় ভাবে বশবর্তী হয়ে ঘুস ও দূর্নীতির মাধ্যমে সমবায় আইন লংঘন করে সাবেক কমিটির সম্পাদক ও সভাপতি প্রার্থীকে সদস্য করে। চলতি বছরের ২ ফেব্রæয়ারী ১৪৯ নং স্মারক মুলে সমবায় আইনে ২০(২) ও ২২ (৩) ধারা মতে সমবায় কর্মকর্তা চকরিয়া জাহাঙ্গীর আলমকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি অন্তবর্তীকালীন কমিটি ১ মাসের জন্য গঠিত হয়। উক্ত কমিটি মেয়াদও শেষ হয়। অন্তবর্তীকালীন ব্যবস্থাপনাতেও শূন্যতা বিরাজ করে। এদিকে উচ্চ আদালত ৬ মাসের জন্য ভোট স্থগিত করলেও কামাল পাশা অনিয়মে মেতে উঠে। গুটি কয়েক ব্যক্তিদের পক্ষে কাজ করে। এমনকি উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করে রিট পিটিশনের ২ মাসের মধ্যে ফের ভোট গ্রহনের নীল নকশা বাস্তবায়ন করে। এমনকি স্থগিত নির্বাচন গোপনে করতে তিনি মরিয়া হন। বিশ্বব্যাপী পরিবর্তিত করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও পেকুয়ায় ব্যবসায়ীদের ভোট প্রদানের ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই নির্বাচন ব্যবসায়ীদের প্রতিফলনের অমত ছিল। আমাদের জোরালো বিরোধীতা ও প্রতিবাদের মধ্যে গত ১৪ মার্চ নির্বাচন ফের স্থগিত হয়ে যায়। অন্যদিকে জেলা সমবায় কর্মকর্তাও পেকুয়া বাজার ব্যবসায়ী কো অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ এর অন্তবর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও নেতৃত্ব শূন্যতা বিরাজ করলে নানা চল-চাতুরীর আশ্রয় নিয়ে অর্ন্তবর্তী কমিটি দিতে তালবাহানা শুরু করেন। উক্ত বিষয়ে সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করিলে পরে ব্যবস্থাপনা কমিটির দাপ্তরিক শুন্যতা দুরীভূত করতে জেলা সমবায় কর্মকর্তা ইমরান হোসেন গত ১১মে ২০২০ইং তারিখ সমবায় আইনের ১৮ (৫) ধারা মতে জেলা সমবায় অফিসের সহকারী নিবন্ধক আবু মকছুদকে সভাপতি করে ৩ সদস্য বিশিস্ট অন্তবর্তীকালীন কমিটি অনুমোদন দেয়। কিন্তু দুর্ণীতিবাজ, ঘুষখোর কামাল পাশা জেলা সমবায় কর্মকর্তা ইমরান হোসেনের সহযোগিতায় কুচক্রীমহলের সাথে আতাঁতে লিপ্ত হয়। বেআইনীভাবে সহযোগিতা করতে ওই কর্মকর্তা এদের সাথে হাত মিলায়। কয়েক লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে ফের বিতর্কে জড়িয়ে যান সমবায় কর্মকর্তারা। অন্তবর্তী কমিটির সভাপতি আবু মকছুদ দায়িত্ব গ্রহনের জন্য সমিতির কর্তৃপক্ষ বরাবর নোটিশ প্রদান করতঃ ৭ জুন অন্তবর্তীকালীন কমিটির আনুষ্টানিক দায়িত্বভার অর্পণের চুড়ান্ত দিন ছিল। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পেকুয়ায়ও এসেছিলেন। তবে সমবায় কর্মকর্তা কামাল পাশা কৌশলে তাকে দায়িত্ব অর্পণ থেকে বিরত রাখে। অসহযোগিতা করায় আবু মকছুদ দায়িত্ব নিতে সক্ষম হননি। আমরা বিশ্বস্থ সুত্র থেকে জ্ঞাত হই, কামাল পাশা অন্তবর্তীকালীন কমিটি মানতে নারাজ। তিনি মোটা অংকের অর্থ নিয়ে ভোট ছাড়া নির্বাচন হয়েছে এ প্রচার প্রচারনায় জড়িয়ে গেছেন। পেকুয়া বাজার ব্যবসায়ী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি: এর ভোট হয়নি। তবে রহস্যজনক কারনে পূর্বের কমিটির নেতাদেরকে সভাপতি ও সম্পাদক পরিচয় দিচ্ছেন। যা নীতির সাথে বড় ধরনের সাংঘর্ষিক ও চরম অন্যায়। আমরা এ পরিস্থিতিতে ঘুষখোর, দূর্নীতিবাজ সমবায় কর্মকর্তাদের অপসারণ ও শাস্তির দাবী এবং অন্তবর্তী ব্যবস্থপনা কমিটির দায়িত্ব গ্রহন করাতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছি। অন্যতায় ২হাজার ৮শত সদস্যদের প্রায় ৭ কোটি টাকা মূলধন রক্ষার্থে পেকুয়া বাজার ব্যবসায়ী স

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2020 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com