August 9, 2026, 10:54 am

কালিয়াকৈরে বাজার গুলিতে সকালে লোকে সমাগম ,দুপুরের পর ফাঁকা

কালিয়াকৈরে বাজার গুলিতে সকালে লোকে সমাগম ,দুপুরের পর ফাঁকা


গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার প্রতিটি বাজারে সকালে হাজারো লোকের সমাগম ঘটছে। কিন্তু দুপুরের পর এলাকা শুনসান অবস্থায় পরিণত হচ্ছে।
করোনার ভয়াবহ অবস্থার কথা চিন্তা করে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলার কমপক্ষে ১৫-১৬টি বাজারে প্রতিদিনই হাজার ক্রেতার উপস্থিতি এবং গাঁ ঘেষে কেনাবেচা করা হচ্ছে। ফলে ছোয়াচে এই করোনা ভাইরাস নামক মরণ ব্যাধি যেন দ্রুত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করা হচ্ছে। অপর দিকে দুপুর সাড়ে
বারোটার পর উপজেলার অলিগলিতে সংঘবদ্ধ যুবকরা লাঠি হাতে মানুষকে পেঠানোর ভয় দেখিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার সব চেয়ে বড় কাঁচাবাজার হলো সফিপুর বাজার। এখানে প্রতিদিনই প্রায় লক্ষাধিক লোকের সমাগম হচ্ছে।
কালিয়াকৈর বাজারের বাসষ্টেশনে মাছের আড়ৎ ও কাঁচা বাজারেও সকাল থেকেই লোকের ভীড় লেগেই রয়েছে। তবে দুপুরের পর পুলিশ বাজারে গিয়ে লোকজনকে বুঝিয়ে বাজার থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছেন।
ফুলবাড়িয়া বাজার, বলিয়াদি, হরিণহাটি, বেনুপুর, মৌচাক, ভান্নাারা,
চাবাগান, সিনাবহ, বড়ইবাড়ী, চন্দ্রা, বাড়ইপাড়া, জালশোকা, কবীরপুর, কোনাবাড়ী, গোসাত্রা, রতনপুর, মাঝুখান, মাটিকাটা রেলক্রসিংসহ প্রায় অর্ধশতাধিক বাজারে চোখে পড়ার মত লোকের সমাগম প্রতিদিনই ঘটছে।আন্ধার মালিক গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মানিক সরকার জানান, করোনা ভাইরাস ঠেকাতে হলে অবশ্যই সকালে এত লোকের সমাগম ঠেকাতে হবে। তা না হলে মহামারি এ করোনা ভাইরাস প্রকট আকার ধারণ করবে।
সফিক নামের এক ক্রেতা জানান, আতংকের মধ্যেও কাঁচা বাজার ক্রয় করতে এসেছি। অনেকের গা ঘেষে ঘেষে জিনিসপত্র ক্রয় করতে হচ্ছে। এতে কখন যে করোনার আক্রান্ত হই আল্লাহ পাক জানেন।
সফিপুর বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী সুমন জানান, এই বাাজারে জায়গা কম। তাই বড় কোন জায়গায় কাঁচা বাজার স্থানান্তরিত করা হলে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়া যেতো।
কালিয়াকৈর গ্রামের বাসিন্দা ও কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবেব সভাপতি আইয়ুব রানা জানান, কালিয়াকৈর বাজারের মাছের আড়ৎ নক ডাউন না দিলে এলাকায় করোনার ঝুকি বেড়ে যাবে।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা জনাব কাজী হাফিজুল আমীন জানান, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে খোলা জায়গায় বাজার নেওয়া হবে। বাজারে যাতে কম লোকের সমাগম হয় তার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2020 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com