August 9, 2026, 7:33 am
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৪ নং কামাত কাজল দিঘী ইউনিয়নের গলেহা বাজারের পুজামন্ডবের রং তুলির কাজে ব্যস্ত মৃৎশিল্পিরা,, সনাতন ধর্মালম্বীদের সব থেকে বড় ধর্মীয় উৎসব (দূর্গাপূজা) আর পুজা ঘিরে চলছে উৎসবের আমেজ।বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের পঞ্চগড় সদর উপজেলার সভাপতি বাবু নুকুল চন্দ্র সরকার বলেন পঞ্চগড় জেলায় সর্বমোট ২৮৩ টি পুজা মন্ড রয়েছে ইতিমধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ । আগামী ৪ অক্টোবর শুক্রবার ষষ্ঠীর মধ্যে দিয়ে শারদীয় দূর্গাৎসব শুরু হবে। বাকি আছে মাত্র ৪ দিন, পঞ্চগড় সদর সহ জেলার অধিকাংশ মন্দিরে চলছে তারই শেষ প্রস্তুতি। কারিগরেরা ব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমার সৌন্দর্য বর্ধনে। তাই সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিমা কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছে। দুর্গোৎসবকে পরিপূর্ণভাবে সাজাতে মন্দিরগুলোতে দিনরাত মিলিয়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় গলেহা বাজার পুজা মন্ডবে চলছে রং তুলির আঁচড় লাগানোর কাজ। গলেহা বাজার সার্বজনীন পূজামন্দিরের সভাপতি অন্নধর সরকার, ও সম্পাদক বিদ্যা রায়, বলেন আমাদের পূজা মন্ডবের এবার প্রতীমা তৈরির কাজ করছে–বোদা থানা থেকে আসা মানিক চন্দ্র রায়- কারিগর (মৃৎশিল্পি) রতন চন্দ্র রায় । মানিক চন্দ্র রায় কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বংশ পরম্পরায় এ পেশায় জড়িত আছে সে। বাপ দাদাদের কাছেই শেখেন কাদা মাটি আর খড় দিয়ে কিভাবে প্রতিমা তৈরির কাজ করতে হয়। তিনি জানান ইতিমধ্যে গলেহা বাজারের পুজামন্ডবের প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ বাকি আছে শুধু রং তুলির কাজ রং করা শুরু করেছি তবে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই প্রতিমার রং এর কাজ শেষ হবে। তিনি বলেন এই বছর তিনি ৩ টি মন্দিরে প্রতিমা তৈরি করেছেন। একটি মন্দিরে প্রতিমা তৈরিতে তারা সাধারণত ৩০-৪০ হাজার টাকা মুজুরি পেয়ে থাকে। বর্তমানে দারুণ শ্রমিক সংকটের কথা জানালেন তিনি। বর্তমানে এই পেশায় শ্রমিক পাওয়া যায় না। তিনি সহ মোট ২ জন মৃৎশিল্পি এই বছর কাজ করছে একসাথে।দুর্গাপূজার নিরাপত্তার বিষয়ে বাবু নকুল চন্দ্র রায় জানান জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে শারদীয় দুর্গাপুজা উপলক্ষে আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, শারীয় দুর্গাপূজায় যেন কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে জন্য প্রশাসন সজাগ রয়েছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বেঘ্নে তাদের উৎসব পালন করতে পারে সে বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়েছে।