August 9, 2026, 7:42 am
সাইফুল ইসলাম বাবুল, পেকুয়া
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সিএনজি চালক জামাল হোছাইনের আত্মহত্যা নিয়ে রহস্যের জট খুলছেইনা, ফলে নিহতের পরিবারের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা। এই আত্মহত্যাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ তুলে নিহতের ছেলে থানায় মামলা রুজুর চেষ্টা করলে ময়না তদন্তের অযুহাত দেখিয়ে এখনো মামলা নেয়নি পুলিশ।
নিহতের পরিবার সুত্রে জানা যায়, গত ১ জুন ভোরে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের সাবেক গুলদিস্থ তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাপের বাড়ি থেকে সিএনজি চালক জামাল হোছাইনের গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে নিয়ে পাঠানো হয় জামালের লাশ। অভিযোগ উঠেছে লাশ ময়না তদন্তের আগেই বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাপের বাড়ির লোকজন যা নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর কাছে রহস্যেরর দানা বেঁধেছে।
নিহতের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান দাবি করেন, তার পিতাকে তার সৎ মায়ের বাপের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে তার সৎ মায়ের পরিবার। এবিষয়ে তিনি পেকুয়া থানায় মামলা করার জন্য গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি এবং ময়নাতদন্তের পর মামলা নিবেন বলে তাকে জানিয়েছে। এদিকে নিহতের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান থানায় মামলা করতে না পারায় তার সৎ মোকারমা বেগম, জামাল হোছনের মেয়ে কলি, মৃত ছৈয়দ আহমদের পুত্র জামাল হোছন, রাজনের পুত্র বেলাল বাবু, দিদারের স্ত্রী আংগুরী বেগম ও জামাল হোছেনের কন্যা সুমাইয়াসহ ৫জনকে আসামী করে চকরিয়া সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন যা পেকুয়া থানাকে তদন্তভার দেয়া হয়েছে। সে তার পিতার হত্যার বিচার দাবি করেছেন।
নিহতের পরিবারের প্রথম পক্ষের সদস্যরা আরো জানিয়েছেন প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা তাদের বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যা লুঠপাটের মামলা দায়ের করেছেন এবং ঘটনার পর পলাতক থাকা দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা এখন হকাবকা করছেন বাড়িতে ফিরে এসে।
এ বিষয়ে পেকুয়া থানার উপ-পরিদর্শক রাজেস বড়–য়া জানান, আদালত ঘটনা ও লাশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছে যা আমরা আদালতে একটা প্রতিবেদন দিয়েছি। তবে আমরা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছি অবশ্যই এটির ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।