August 9, 2026, 8:49 am
সাইফুল ইসলাম, লোহাগাড়া -সাতকানিয়া প্রতিনিধিঃ দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার মোঃআসিব গত ১০ বছর ধরে কিডনি রোগে কষ্ট পাচ্ছে।ভাই-বোন চারজনের মধ্যে বয়সে সবার ছোট।ঠিকানা:-ডাঃ ইব্রাহীমের বাড়ি, ছৈয়দ পাড়া, আমিরাবাদ,লোহাগাড়া,চট্টগ্রাম।
#রোগঃ CKD stage 5 ( Last Stage)
#চিকিৎসাঃ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কিডনি প্রতিস্থাপন।
#চিকিৎসা স্থানঃ ভারতের যেকোন উন্নত হাসপাতালে কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে। যেহেতু বাংলাদেশে তার কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট সম্ভব নয়, এবং ডাক্তার কামরুল ইসলাম ও পিজি হসপিটাল থেকে আছিবুলকে ভারতে রেফার করা হয়েছে।এই রোগের কারণে তার শারীরিক সক্ষমতা একটু দুর্বল রয়েছে। কিন্ত তার মনোবল অনেক মজবুত। তার মেধা, কথাবার্তা, বাচন-ভঙ্গি ও দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি যে কাউকে মুগ্ধ করে। বিশেষ করে তার কমনসেন্স অনেক বেশি। এই অসুস্থ শরীরে সে এসএসসি পাশ করেছে কৃতিত্বের সাথে। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তার ব্যাথা শুরু হলে খাতা কলম রেখে পানি ও ঔষধপত্র খেয়ে ৩০-৪০মিনিট রেষ্ট নিয়ে আবার খাতা কলম নিয়ে বসত। আসিবের এই প্রতিকুলতার সাথে সংগ্রাম করতে দেখে ঐ সময়ে দায়িত্বরত লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাহবুবুল আলম স্যার তাকে তদারকি করেন এবং পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে যাবতীয় সেবা-যত্ন করার সুযোগ করে দেন। আসিব ২০১৮ সালে #দক্ষিণ_সাতকানিয়া_গোলামবারি_মডেল_সরকারি_উচ্চ_বিদ্যালয় হতে জিপিএ ৪.৫ নিয়ে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাশ করার পর মাহবুবুল আলম স্যার নিজ হাতে তাকে ল্যাপটপ দিয়ে পুরস্কৃত করেন। পরবর্তীতে ২০২০ সালে #আইয়ুব_ফাউন্ডেশন_টেকনিক্যাল_কলেজ হতে কম্পিউটার বিষয়ে জিপিএ ৪.৫ নিয়ে HSC পাশ করে। অসুস্থ আসিব এরপর গত ঢাকার একটি আইটি প্রতিষ্টান থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর উপর দুইটি শর্ট কোর্স শেষ করেছে। আসিবের ইচ্ছে সে আইটি স্পার্ট হবে, সে আইটি-তে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে চাই। কিন্তু তার ভাগ্যের আকাশে কালো মেঘ জমে আছে, তার দুটি কিডনি বর্তমানে প্রায় অচল, সে আগের মত স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারে না। অনেকদিন ধরে কিডনি ডাইলিসিস করালেও ডাক্তার বলেছেন, তার শরীরের জন্য ঝুঁকি রয়েছে। তাকে সুস্থ রাখতে হলে মিনিমাম একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা অতি জরুরী। এই কিডনি প্রতিস্থাপনে কিডনি দাতাকে প্রদানকৃত খরচ, বিমান ভাড়া, দাতা সুস্থ হওয়া পর্যন্ত মেডিকেল খরচ, রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ মেডিকেল বিল ও ইন্ডিয়াতে অবস্থানসহ আনুমানিক ২৫-৩০ লাখ টাকা খরচ হবে। বর্তমানে সে ইন্ডিয়াতে ভ্যালোর সিএমসিতে চেক আপ শেষে ঢাকায় এসেছে, কিডনি দাতা কনফার্ম হওয়ার পথে। কিডনি দাতার সাথে তার শরীরের সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার সমন্বয় হলে দাতাসহ আবার ইন্ডিয়াতে নিয়ে যাওয়ার আগেই আমাদের উপরে উল্লেখিত খরচ ম্যানেজ করা জরুরী। অনেকের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে তাদের আর্থিক অবস্থা কি বেশি দুর্বল এইভাবে উন্মুক্ত সহযোগিতা চাচ্ছেন? পিতা ইব্রাহীম চৌধুরী পেশায় একজন পল্লী ডাক্তার ও মা একজন প্রাইমারী স্কুল শিক্ষিকা, বোন সবার বড় বিবাহিত, একজন ভাই টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটিতে অধ্যায়নরত ও অন্যজন চট্টগ্রাম ইউনিভার্সিটিতে অধ্যায়নরত। আসিব অসুস্থ না হলে তাঁদের ফ্যামিলি সবদিক দিয়ে গোছানো মধ্যবিত্ত পরিবার। কিন্ত গত ১০ বছর ধরে আসিবের চিকিৎসার জন্য সময় দিতে গিয়ে অনেক সময় মামা চেম্বার করতেও পারেনি। আর আসিবকে নিয়ে চেন্নাই আসা যাওয়ার খরচ, চিকিৎসার খরচ হিসাব করলে তাদের ইনকাম সব শেষ হয়ে আরও ঋণ হয়ে গেছে। অন্য দুই ভাই রকিব ও সাকিবের পড়ালেখার খরচ ত আছেই। তাছাড়া ১০ বছর আসিবকে নিয়ে সংগ্রাম করতে করতে তার পিতা ক্লান্ত হয়ে আত্মীয় স্বজন ও দেশবাসীর কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন। কারণ শারীরিক ক্লান্তি আসলেও পিতৃস্নেহ, ভালবাসা ও পিতার দায়িত্ববোধে কখনও ক্লান্তি আসে না। তাইত আজ বাবা ফেইসবুকে প্রকাশ করেছেন ছেলের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা চাই। আসুন সবাই মিলে যে যতটুকু পারি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই। দশের লাঠি একের বোঝা। আমরা দেশবাসী, প্রবাসী, আত্নীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, ক্লাব-সমিতি ও শুভকাঙ্খিরা চাইলে আসিবের চিকিৎসার খরচ জোগাড় হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ! সবাই ভাল থাকবেন। আল্লাহ ভরসা।
সাহায্য পাঠাতে যোগাযোগ করুন।
বিকাশ,রকেট ও নগদ পারসোনাল-০১৬৮৩৪৮৬৮৫৩