August 9, 2026, 7:35 am
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় মারধর করা হয়েছে ওলামালীগ পেকুয়া উপজেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি জাকের উল্লাহ জালালী (৫৫) কে। ইউপি নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থীর ঘরোয়া বৈঠকে বক্তব্য দেয়ার জের ধরে পরাজিত মেম্বার প্রার্থী ও তার অনুগত লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ক্ষমতাসীন দল আ’লীগের সহযোগী সংগঠন ওলামালীগ পেকুয়ার ওই জৈষ্ট্যনেতাকে মারধর করা হয়েছে। এ সময় তাকে প্রাণনাশ চেষ্টাও চালানো হয়। ৩০ নভেম্বর বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ মেহেরনামা বাগগুজারা বাজারের গিয়াস উদ্দিনের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। জাকের উল্লাহ জালালী বাজারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ২৮ নভেম্বর তৃতীয়ধাপের ইউপি নির্বাচনে পেকুয়ায় ভোট গ্রহণ অনুষ্টিত হয়েছে। সদর ইউপির ৯ নং ওয়ার্ডে তালা প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী নুরুল আবছারের সমর্থনে ২৪ নভেম্বর বিকেলে উঠান বৈঠক চলছিল। এ সময় জাকের উল্লাহ জালালী ওই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গেল ইউপি নির্বাচনে ওই ওয়ার্ডে ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন আবদুল গফুর। নির্বাচনে তিনি পরাজিত হয়েছেন। ৩০ নভেম্বর বিকেলে জাকের উল্লাহ জালালী বাগগুজারা বাজারে গিয়াস উদ্দিনের চায়ের দোকানে বসে চা-নাস্তা করছিলেন। এ সময় পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা পরাজিত মেম্বার প্রার্থী আবদুল গফুর ও তার ভাই ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আবদু রশিদসহ ৫/৬ জনের দুবৃর্ত্তরা দোকানে ডুকে জাকের উল্লাহ জালালীকে কিল, ঘুসিসহ হামলা চালায়। এক পর্যায়ে তাকে টানা হ্যাঁচড়া করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। জাকের উল্লাহ জালালী উপজেলা ওলামালীগের সিনিয়র সহসভাপতি ছাড়াও আহলে সুন্নতে ওয়াল জামায়াতের কক্সবাজার উত্তর জেলার যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। তিনি চকরিয়ার শাহ ওমর জামে মসজিদের সাবেক খতিবও। এ ব্যাপারে হামলার শিকার জাকের উল্লাহ জালালী বলেন, বাজারে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে তারা আমার উপর ন্যাক্কারজনক হামলা করেছে। আমি একজন আলেম। তারা পরাজিত হয়েছে এ দায় আমরা নেব কেন। ওয়ার্ড আ’লীগের সেক্রেটারী মেম্বার প্রার্থী ছিল। আমি তার মিটিংয়ে গিয়ে বক্তব্য দিয়েছিলাম। এটি হচ্ছে আমার অপরাধ। আবদুল গফুরের ভাই আবদু রশিদ চায়ের দোকান থেকে কাঁচের গøাস হাতে নেয়। সেটি ধারালো করে আমাকে আঘাত করছিল। লোকজন এসে ধারালো কাঁচের গøাসটি কেড়ে নিয়েছে। পরবর্তীতে ধারালো ছুরা হাতে নিয়ে আমার দিকে ধেয়ে আসে। আমি এসপি, ইউএনও, ওসি, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন দপ্তরে আইনগত প্রতিকার পাওয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ দিচ্ছি।