August 9, 2026, 7:33 am
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় রাজাখালীর ৪ নং ওয়ার্ড থেকে মেম্বার পদে প্রার্থী হয়েছেন সমাজ সেবক হাজী গোলাম রহমান। এলাকায় সৎ, নীতিবান ও দানবীর হিসেবে তাকে মানুষ চিনেন ও জানেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। তবে তাকে নিয়ে ভোটারদের মধ্যে বেড়েছে উচ্ছাস ও উদ্দীপনা। জনপ্রিয় ওই প্রার্থীকে নিয়ে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহও বেড়েছে। ওই ওয়ার্ডে যে ক’জন প্রার্থী এবার ভোট করছেন সবাইকে জনপ্রিয়তায় পিছিয়ে ফেলে হাজী গোলাম রহমান নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়নের ছক তৈরী করেছেন। এলাকায় প্রশংসনীয় কর্মবীর ব্যক্তি হিসেবে তিনি মানুষের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য। জীবনের বিশাল সময় প্রবাসে কাটিয়েছেন। সেখানেও বাঙ্গালী ও প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেছেন। প্রবাসীদের দুর্দিন ও দু:সময়ে হাজী গোলাম রহমান এসেছেন ছুটে। তিনি মানুষের কল্যাণের জন্য জীবনে অনেক কিছু ত্যাগও করেন। হাজী গোলাম রহমান একজন নিষ্টাবান ব্যক্তি হিসেবে রাজাখালীতে পরিচিত। মানুষের যে কোন কঠিন সময়ে গিয়েছেন ছুটে। জনপ্রতিনিধি না হলেও অতীতে তিনি এলাকায় গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেন। বিশেষ করে সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় ইতিমধ্যে তিনি মানুষের কাছে প্রশংসিত। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হাজী গোলাম রহমান রাজাখালীর ৪ নং ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হয়েছেন। ভোটাররা জানান, এবার হাজী গোলাম রহমানকে তারা ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয় করবেন। বামুলারপাড়ার কয়েকজন ভোটার জানান, এবার পেয়েছি যোগ্য প্রার্থী। আমরা তাকে নিয়ে গর্ববোধ করছি। একজন জনদরদী ও সৎ ব্যক্তিকে আমরা মেম্বার প্রার্থী হিসেবে পেয়েছি। ভোটার আবুল কালাম বলেন, পাড়ার সব নারী পুরুষ ভোটার ২৮ নভেম্বর কেন্দ্রে যাবো গোলাম রহমানকে বিজয়ী করতে। আবু তাহের জানান, মানবিক ব্যক্তি গোলাম রহমানকে আমরা ভোট দেব। সৎ প্রার্থী উঠে না আসলে কিভাবে পরিবর্তন আসবে। আবুল হোসেন জানান, তিনিতো মানুষের জন্য করেছেন। এ রকম উদার মানুষগুলোকে পরিষদে পাঠাতে হবে। রুহুল কাদের জানান, গোলাম রহমান এখানে অনেক আগে থেকেই মানুষের কল্যাণের জন্য মিশে গেছে। তাকে ভোট দিতে হবে। শাহ আলম বলেছেন, ভালো ব্যক্তির পূর্বের কর্মকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য আমরা গোলাম রহমানকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। হুমায়রা বেগম বলেন আমরা সুখে দু:খে গোলাম রহমানকে পেয়েছি। তাকে ভোট দেব। রেজিয়া বেগম বলেন, ন্যায় বিচার পাবো গোলাম রহমানকে মেম্বার করলে। রাশেদা বেগম জানান, গরীবের দু:সময়ের কান্ডারী গোলাম রহমান। তাকে জেতাতে কেন্দ্রে যাবো। মেম্বার প্রার্থী হাজী গোলাম রহমান জানান, আমি জনগনের আশা আকাংখার প্রতিফলন ঘটাতে প্রার্থী হয়েছি। আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কি হবে এমন প্রশ্নের জবাবে মেম্বার প্রার্থী গোলাম রহমান বলেন, ৪ নং ওয়ার্ডটি খুবই অবহেলিত। নেই রাস্তাঘাট। অবকাঠামো উন্নয়নে আমরা পিছিয়ে রয়েছি। আমার প্রথম কাজ হবে রাস্তাঘাটের উন্নয়নকে গতিশীল করা। সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হবে। সমাজ থেকে অবৈধ কার্যকলাপ দুর করবো। সন্ত্রাস ও রাহাজানি প্রতিরোধ করবো। সরকারী সুযোগ সুবিধা ওয়ার্ডবাসীর বৃদ্ধি করা হবে। বয়ষ্ক ও বিধবাভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, সঠিক ভাতা বিলি হবে সঠিক নির্ণয়ের মাধ্যমে। এখানে আত্মীয়করন, স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ ও দুর্ণীতির উর্ধে রাখা হবে এ সব ব্যবস্থাকে।