August 9, 2026, 9:33 am

নমিনেশন বনাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন!

নমিনেশন বনাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন!

সাইফুল ইসলাম বাবুলঃ

সরকার যখন ঘোষণা করল দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন তখন অনেকেই নারাজ কারণ স্থানীয় নির্বাচনের সাথে সমাজ, আত্মীয়তা, এলাকা, ব্যাবসায়ীক সম্পর্ক সবাই জড়িত। অনেকে মনে করছে এই বুঝি দূরত্ব বৃদ্ধির কাজ কাম শুরু হল, হয়েছে ও তাই। তাই হলেও
নিয়মের শিকলে আবদ্ধ দলীয় প্রতীকে সবাই নির্বাচনে অংশ নিল। তবে যারা ক্ষমতাসীন দলের প্রতীক পেয়েছেন তারা একটু সুবিধা জনক জায়গা থেকে খেলতে পেরেছেন। তাই দলীয় প্রতীক নিয়ে এত দৌড়ঝাঁপ।

টাকা, পরিশ্রম, প্রচারনা নির্বাচনের জন্য। সব খেলা শেষে একজনের ভাগ্যে প্রতীক জুটল।নির্বাচন হবে তাতে সন্দেহ নেই। এখন দেখছি খরচ বাড়ল খন্ড খন্ড বিদ্রোহ, কলা বাগান করার প্রতিযোগিতা তবে পৈতৃক বাড়িতে নয়, রাস্তা ঘাটে। আবার বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার প্রবনতা। চুনাপুঁটি গুলো কয়দিন আগে জেলা নেতাদের বাপ ডাকল এখন দেখছি বড় গলায় তাদের গালি-গালাজ। তাদের দোষ কি তারা সব নামই কেন্দ্রে পাঠিয়েছেন। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের উপর জেলা নেতাদের হাত নেই সেখানে আমলনামা দেখে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামীলীগ একটি বড় দল সেখানে সবাই পোষ্ট পদবীর অধীকারী হবেন এমন কথা নেই। পোষ্ট পদবীর বাইরেও অনেক যোগ্য লোক থাকতে পারে। সবাই জানে সে আওয়ামিলীগ করে। সবচেয়ে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় তাদের সে প্রতিবাদ করলে বলে তুই আওয়ামীলীগের কি? আবার নীরব থাকলে বলে বর্ণচোরা, দলের দুশমন অন্য দল ক্ষমতায় আসলে পোস্ট পদবীরা পালিয়ে যায় অন্তর দিয়ে সমর্থন করা লোকটা তাই সাধারণ সদস্য হিসাবে তাদের একটা পরিচয় পত্র দেওয়া দরকার, না হয় সেই ১৩ জনেই বলবে আমরা ছাড়া মানুষ নেই। বড় গলায় বলেন আমি কাউন্সিলে নির্বাচিত।

সে তালিকায় কি অন্য দলের লোক ছিলনা। নিজের সুবিধার জন্য তাদের নাম দিয়েছেন। দরগায় নিয়ে অবৈধ টাকা বিলিয়ে কাউন্সিলরদের লোভে ফেলে নির্বাচিত। কিংবা ভয়ভীতি দেখানো মামলার আসামী কবা হবে। এমন কি হাইজাকও হয়েছে যেন অন্য কেউ প্রার্থী হতে না পারে।সে-ই সেই করে আপনি নেতা। সাহস থাকলে তৃণমূল নেতাদের দিয়ে আপনি পাতিলা ভোট দেন কয়টা পান দেখেন এখন ত্যাগের মহিমায় কান্না করে লাভ কি?

৩ যোগ ধরে চিসকে চোর থেকে বড় ডাকাত। মানুষের মুখ বন্ধ রেখে নেতা সেজেছেন। দলীয় কর্মীদের রিলিপ দেওয়ার নামে টাকা আদায়, থানায় তদবীর করার নামে টাকা আদায়, ব্যাবসা শুরু, ঘর বাধার সময় টাকা আদায়, বিচার বানিজ্য বসিয়ে টাকা আদায়, হাইব্রিড পালন করার নামে টাকা আদায়। আপনিতো জমিদার পুত্র ছিলেননা. বৈধ ব্যাবসাও ছিলনা তবে নারী, বাড়ী, গাড়ী, ইমেজ, ব্যাংকব্যালেন্স কি যাদুর বক্স। বাহ্ আপনি মস্ত ত্যাগী। তাই আপনার আমলনামা দেখে আপনাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নাই। আপনার দূষ্কর্মের সাথীরা নানা কথা বলছেন।খালি চোখে দেখলে তারাও হেন্নে। সুষ্ট নির্বাচন হলে জামানত থাকবেনা। বক্তব্যে বলেছেন মানুষ দোয়া করছে, না লানত কামনা করছে।একটু গভীর ভাবে চিন্তা করে দেখুন কূ কাম করে বঙ্গবন্ধুর প্রতীকের আশা ধীরে ধীরে দূরাশা হয়ে যাচ্ছে। অতএব কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত সঠিক যথাযথ। রাজনীতির নামে মানুষ মারারকল না নবিয়ে মুদির দোকান করেন ইনকাম ভাল হবে।নাহয় যে দলীয় প্রতীক পেয়েছে তাকে সহযোগিতা করুণ। অতীত ভুলে ভাল হবার চেষ্টা করুন।

আপনার ত্যাগ মানে স্বেচ্ছাচারিতার লাইসেন্স নয়। তদবীর, দালালী, নেতার কান ভারী করা ইত্যাদি আজাইরা কাম বাদ দেন। জবাবে আপনার ভাল কাজের ফিরিস্তি দিলে আমাদের লেখতে সুবিধা হব। হচ্চরের পিঠ থেকে নামলে ভাল হয়।

পুনশ্চঃ বারবার পরাজয় দলীয় লোকদের অসয্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2020 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com