August 9, 2026, 1:33 pm

ধন্যবাদ প্রশাসন, জায়গামতো……

ধন্যবাদ প্রশাসন, জায়গামতো……

সাইফুল ইসলাম বাবুল

মাদকের বিস্তার ঘটেছে কিংবা ঘটতে যাচ্ছে ঠিক এই মুহূর্তে মাদকের চালান উদ্ধার একটি প্রশংসীয় ঘটনা। আমরা মনে করতাম আপনাদের অনুসন্ধানী দৃষ্টি প্রত্যন্ত অঞ্চলে নেই- ঠিকই আছে। আসলে উজানটিয়া ছিলো একসময়ের শান্তির জনপদ কিন্তু দিন দিন এই এলাকা অশান্তিতে রূপ নিচ্ছে।

যুবসমাজের উল্লেখযোগ্য সংখ্যাক মাদকাসক্ত। তাদের দৈনিক চাহিদা পুরণ করার জন্য বাহির থেকে প্রতিনিয়তো মাদক আসে। উজানটিয়ার স্থানীয় স্টেশন গুলোতে বসলে শুনা যাবে কে কে ঐ কাজে জড়িতো।এক সময় মাদকের নেতৃত্বে ছিলো এক স্থানীয় জাদরেল নেতার ছেলে। টাকা যোগান দেয়ার জন্য সে গ্রুপ গঠন করে উজাটিয়ার খালে চলাচল যানবাহনে চাঁদাবাজী করতো।ছোটো একটা জগড়াকে কেন্দ্র করে সে কৌশল পালঠিয়েছে।এখন নেতৃত্বে আছে এক ওয়ার্ড নেতা, বড়ো গোষ্ঠীর কারণে তাকে কেউ কিছু বলেনা।

মদক বিস্তারের উৎস হচ্ছে উজানটিয়ার পশ্চিমের একটি চিংড়ি ঘের। একজন প্রাক্তন জন প্রতিনিধী সেখানে ৭ ইউনিয়ন এবং চকরিয়ার কিছু মাদকসেবীদের নিয়ে চিংড়ি চাষের আড়ালে মাদক সেবন চালানের আস্তানা গড়েছেন।স্থানীয় জনপ্রতিনিধি আগে থেকেই মাদক ব্যাবসায় জড়িতো বলে প্রকাশ আছে।

পেকুয়া সদর ইউনিয়নের কয়েকজন বারবকিয়ার কয়েকজন পাশ্ববর্তী উপজেলার কোনাখালীর কয়েকজন স্থানীয় গুটিকয়েক মিলে আস্তানা গড়েছেন।লোকমুখে প্রকাশ মগনামার এক সম্রান্ত ক্ষমতাধর ব্যক্তি নাকি তাদের গডফাদার। সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে আছেন পেকুয়ার এক সম্রান্ত পরিবারের ছেলে।

রাত বিরাইতে ১০/১২ টা হোন্ডা নিয়ে স্বসত্র হয়ে চলাফেরা করে। রাতে স্পিডবোট আসে, উৎসব হয় বিষয়টি সবার মুখে মুখে। তারা কিন্তু বলে বেড়াচ্ছে তারা নাকি অনেক ক্ষমতাশালী
তাদের টিকিটাও কেউ ধরতে পারবেনা। অনেক সময় দেখা যায় মগনামার ঐ লাইনের লোকগুলা যায়। তারা সেখানে রেস্টহাউজ বানিয়েছে। তাদের চৌ সীমানায় অন্যদের যাওয়া নিষেধ।

রাতের ১২ টায় বেগ কাঁদে কাফেলা দেখা যায়। এখন স্থানীয় কিছু লোভী লোক তাদের সাথে ভিড়ে চালান আনা-নেওয়ায় ব্যস্ত।খালি চোখে তাকালে দেখা যাবে তাদের সম্পদ ১০ গুন পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এলাকার মানুষ শংকিতো কবে তাদের বাড়ীঘরে আক্রমণ হয়,গরু ছাগল খেয়ে ফেলে।

উজানটিয়া খালের মহোনা হওয়ায় মাদক অনায়াসে আসতে পারে। এখন অনেক জাহাজ চলাচল মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের কারণে। তাই প্রশাসনের নজর এডিয়ে একাজগুলো চলে।উজানটিয়ার করিমদাদ মিয়ার ঘাট,সৈকতবাজার,জালিয়াপাড়া স্টেশন, মালেকপাড়া স্টেশন, সোনালী বাজার বিভিন্ন পয়েন্টে অনুসন্ধান করা গেলে মূল হোতাদের নাম পাওয়া যাবে। একটু অনুসন্ধানের মিনতি করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2020 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com