August 9, 2026, 7:37 am
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় সেই পরকীয়া সম্পর্কের প্রেমিক জুটিকে আটক করা হয়েছে। প্রবাসীর স্ত্রী ও কিশোরের মধ্যে অসম প্রেমের সম্পর্ক হয়েছে। ওই সম্পর্কের সুত্র ধরে প্রবাসীর স্ত্রী তিন সন্তানের জননী ও কিশোরের মধ্যে গড়ে উঠে দৈহিক সম্পর্ক। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয়রা প্রবাসীর বাড়িতে জড়ো হন। এ সময় ভোর রাতে বাড়ির একটি কক্ষ থেকে পরকীয়ার অসম প্রেমিক জুটিকে স্থানীয়রা আটক করে। ২৭ এপ্রিল ভোররাতে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের নতুনঘোনায় এ ঘটনা ঘটে। আটক প্রেমিক জুটির নাম বেবী আক্তার (৩৫) ও শফি আলম (১৮)। বেবী আক্তার নতুনঘোনার মালয়েশিয়া প্রবাসী মোহাম্মদ হোছাইনের স্ত্রী ও শফি আলম একই এলাকার জসিম উদ্দিনের পুত্র। আটক প্রেমিক জুটিকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুরের নিকট সোপর্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে রাজাখালী ইউপির চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুর জানান, এ ২ জনকে এর আগে কয়েকবার ধরা হয়েছিল। কয়েক মাস আগে বেবী আক্তার রক্তাক্ত জখম হয়েছিল। নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলাও হয়েছে। আসামী হয়েছিল যুবক শফি আলম। পরে এ ২ জন আবারো অপকর্মে লিপ্ত হয়। আমার এখানে নিয়ে আসছিল। আমি সমাজপতিদের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছি। বেবী আক্তারের শাশুড়ী বারবাকিয়া ইউনিয়নের সবজীবনপাড়ার মৃত বদিউল আলমের স্ত্রী ফরিদা বেগম জানান, আমি পুত্রবধূ ও তার প্রেমিক শফি আলমের বিরুদ্ধে পেকুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমার ছেলে বারবাকিয়া থেকে রাজাখালীতে গিয়ে বাড়ি করে বসবাস করছে। ছেলে বিদেশে। টাকা পয়সা যা দিয়েছে তা বেবী নষ্ট করে ফেলেছে। ওই যুবককে নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মত থাকে। মানুষ অনেকবার আটক করে। আমার ছেলের সর্বনাশ হয়ে গেছে। ৩ টা নাতী-নাতনী আছে। ওরাও এখন বড় হচ্ছে। আমার ছেলের বসতবাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। সব মালামাল বেবী ও শফি আলমের পরিবার নিয়ে গেছে। প্রতিবেশী ছাবের মাঝি জানান, আমরা গিয়ে এ ২ জনকে ধরে ফেলেছি। চেয়ারম্যানকে সোপর্দ করেছি। আসলে সমাজে এ ধরনের কান্ডের কারনে আমরা মানুষের কাছে ছোট হয়ে গেছি। এ ২ জনের কঠিন শাস্তির প্রয়োজন। ইউপি সদস্য অলি আহমদ জানান, জসিমের ছেলে শফি আলমকে এর আগে শাস্তি দেয়া হয়েছিল। মেয়েটি প্রাপ্ত বয়ষ্ক। আর ছেলে অল্প বয়সী। তারা ২ জন একজন অপরজনকে বিয়ে করতে চায়। সমাজপতি মুজিবুর রহমান জানান, আমরা কি সিদ্ধান্ত দেব। এখানে মূল সমস্যা প্রবাসীর স্ত্রী। সে স্বামীর টাকা ওই যুবককে সব দিয়ে ফেলেছে।