August 9, 2026, 9:34 am

পেকুয়ায় চাচাকে প্রাণনাশ চেষ্টা, ঘিরা বেড়া ভাংচুর

পেকুয়ায় চাচাকে প্রাণনাশ চেষ্টা, ঘিরা বেড়া ভাংচুর

পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় চাচাকে প্রাণনাশ চেষ্টা চালানো হয়েছে। বসতভিটার বিরোধ নিয়ে আপন ভাতিজা ধারালো কিরিচ নিয়ে ধেয়ে যান। এ সময় চাচাকে কুপিয়ে প্রাণনাশ চেষ্টা চালানো হয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে চাচা দ্রæত ওই স্থান থেকে সটকে পড়ে। তবে উত্তেজিত ওই যুবক চাচাকে প্রাণনাশ করতে না পেরে অধিক ক্ষিপ্ত হন। এ সময় চাচার বসতবাড়িতে গিয়ে হানা দেয়। এক পর্যায়ে ওই যুবক নিজ চাচার বসতবাড়ির ঘিরা বেড়ায় ভাংচুরসহ ব্যাপক তান্ডব চালায়। ২২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের কুতুবপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সুত্রে জানায়, পৈত্রিক বসতভিটা ও খরিদসুত্র প্রাপ্ত অংশ নিয়ে কুতুবপাড়ার মাওলানা মৃত শফিকুর রহমানের পুত্র আবুল কাসেম ও তার বড় ভাই সাহাব উদ্দিন এর মধ্যে বিরোধ চলছিল। মাওলানা শফিকুর রহমানের ৮ জন ছেলে মেয়ের মধ্যে সাহাব উদ্দিন সবার বড়। পৈত্রিক অংশের অধিক সম্পত্তি সাহাব উদ্দিন বিক্রি করেছে। বসতভিটার অংশের মধ্যে তার ছোট ভাই আবুল কাসেম পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত অংশের পাশাপাশি তার ছোট গিয়াস উদ্দিনের প্রাপ্ত অংশ থেকে ৬ শতক জমি ক্রয় করে। এমনকি আবুল কাসেম মায়ের মিরাজ অংশেও খরিদ করেন। গত এক বছর আগে থেকে জায়গা নিয়ে বড় ভাই সাহাব উদ্দিন ও আবুল কাসেমের মধ্যে বনিবনা চলছিল। এর সুত্র ধরে গত এক বছর আগে সাহাব উদ্দিনের পুত্র কলিম উল্লাহ চাচার বসতবাড়ি ভাংচুর চালায়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিস্পত্তি হয়েছে। ঘটনার দিন সকালে আবুল কাসেম তার প্রাপ্ত অংশে ঘিরা বেড়া নির্মাণ করছিলেন। এ সময় সাহাব উদ্দিনের ছেলে কলিম উল্লাহ ধারালো কিরিচ নিয়ে চাচাকে প্রাণনাশ চেষ্টা চালায়। আবুল কাসেম জানান, কলিম উল্লাহ একজন দুর্দান্ত সন্ত্রাসী। সে কিরিচ নিয়ে আমাকে হামলা করতে আসে। আমি দ্রæত বাড়ির ভিতরে ঢুকে গিয়ে নিশ্চিত হত্যা থেকে বেঁচে গেছি। কিন্তু আমার ঘিরা বেড়া ভাংচুর করে। নলকূপ বিকল করার জন্য কলিম উল্লাহ হাকাবকা করছে। ছেলে বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িত। কিন্তু আমার বড় ভাই সাহাব উদ্দিন ছেলেদের এ সব অন্যায় কাজে প্ররোচিত করে। আমার ছেলে মেয়েরা এখন আতংকিত। যে কোন মুহুর্তে আমার উপর ও আমার পরিবারের উপর আক্রমণ হতে পারে। আমি ওই জুলুমের বিচার চাই। কলিম উল্লাহ রাষ্ট্রের গোপন কাজে লিপ্ত। যা সমাজ ও রাষ্ট্র সমর্থন করেনা। সে চুরি চামারি ও অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িত। মাদক বিক্রি করতো। সমাজের মুরব্বীরা এর তীব্র প্রতিবাদও করে। এখন আমার চলাফেরাও হুমকির মধ্যে রয়েছে। আবুল কাসেমের স্ত্রী ফরিদা বেগম জানান, আমরা ভয়ের মধ্যে আছি। আমার ছেলেরা বলছেন এ জায়গা ছেড়ে দিয়ে অন্য কোথাও বসতির জন্য। শুধূ কলিম উল্লাহর কারনে আমরা শংকিত। আবুল কাসেমের ছেলে মোর্শেদ ও ৮ম শ্রেনীর ছাত্র তারেকুর রহমান বলেন, আমরা খুবই নিরাপত্তাহীন। যে কোন মুহুর্তে আমাদের উপর আক্রমন হতে পারে। আমরা পুলিশ প্রশাসন ও সরকারকে এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষনে অনুরোধ করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2020 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com