August 9, 2026, 7:47 am
সাইফুল ইসলাম বাবুলঃ
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে এখন ভূতুড়ে কান্ড ঘটে যাচ্ছে। বছর তিনেক আগে মৃত ব্যক্তির নাম এসেছিল পেকুয়া উপজেলা পরিষদের বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান উম্মে কুলসুম মিনুর। তথ্য সুত্রে জানা গেল নির্বাচন থেকে বিরত রাখতে কিংবা জটিলতা সৃষ্টি করতে এরূপ কাজকর্ম।
বর্তমানে পেকুয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ চৌধুরী কোভিড ১৯ টিকার রেজিষ্ট্রেশান করতে গেলে তাজ্জব বনে যান। তার আইডি কার্ড কোন তথ্য দিচ্ছে না। বিভিন্ন ডিভাইস থেকে চার্জ দিয়ে তথ্য না পেয়ে নির্বাচন অফিসে গেলে সেখানেও হানিফ মাস্টারের নাম মৃত ব্যক্তির তালিকায়। আপাতত তার আইডি দিয়ে কিছুই হচ্ছেনা।
হানিফ মাস্টারের আইডি কার্ড ঠিক করতে নাকি নানা প্রত্যয়ন অগ্রায়নের প্রয়োজন আছে। তারপরও নাকি ঠিক হবেনা দু চার বার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে যেতেই হবে। কথা হল হানিফ চৌধুরী ভোট গননার সুপার ভাইজার। পেকুয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। একজন সর্ব পরিচিত ব্যক্তি তার নাম কি ভাবে কর্তন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। তাহলে এসব অনিয়ম কি চোখ বন্ধ করে হয়? তিনি একজন সরকারি কর্মচারী তাঁর প্রত্যাহিক তথ্যের জন্য NID র প্রয়োজন আছে।
এখন সব কাজ স্থবির হয়ে থাকবে। এখন দোষ কার?
তথ্য সংগ্রহকারি বলেন আমি করিনাই, সুপার ভাইজার বলেন আমি করিনাই, স্থানীয় ইউপি সদস্য বলেন আমি করিনাই। তাহলে প্রশ্ন, কাজ গুলো কি ভূতে করেছে? শুনছিলাম হানিফ স্যার নাকি চেয়ারম্যান ইলেকশান করার কথা ছিল। তাই মনে হয় তাঁর এলাকার কোন জটিল ব্যক্তির কাজ। এখন খতিয়ে দেখলে আসল রহস্য পাওয়া যাবে। তবে দায়িত্ব কার উপর বার্তাবে? এখন যারা নির্বাচন করবেন তারা এখটু খোজ নেন।নাকি এ ম্যাকনিজম তাদের বিরুদ্ধেও হয়েছে কিনা?