August 9, 2026, 8:44 am

সর্ব ইউরোপিয়ান আ.লীগের উপদেষ্টা এম এ গনির মৃত্যতে রাজিব দাশের শোক

সর্ব ইউরোপিয়ান আ.লীগের উপদেষ্টা এম এ গনির মৃত্যতে রাজিব দাশের শোক

স্টাফ রিপোর্টারঃ সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বর্তমান কমিটির উপদেষ্টা জননেতা জনাব এম এ গণি মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন )।

বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় ভোর সারে ৩টায় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন, মাল্টা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব দাশ।

এক শোক বার্তায় রাজিব দাশ বলেন, ‘প্রিয় নেতা আমাদের গণি ভাইয়ের প্রয়াণে আমরা মাল্টা আওয়ামীলীগসহ সকল আওয়ামী পরিবার গভীরভাবে বেদনাহত। গণি ভাই বীরচট্টলার কোতোয়ালী থানা আওতাধীন পাথরঘাটা এলাকার কৃতি সন্তান এবং তিনি একজান বীরমুক্তি যোদ্ধা। আমি ও তার একই এলাকার সন্তান তিনি আমার অভিবাবক। দুঃখের বিষয় এই যে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে উনার সান্নিধ্যে বেশীদিন থাকতে পারলাম না। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা।’ 

উল্লেখ,
সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব এম এ গণি ২০শে মাচ ১৯৩৬ পাথরঘাটা নজুমিয়া লেইন এর জমিদার হাজী শরীয়ত উল্ল‍্য সওদাগরে পরিবারের তাহার নাতি মরহুম মুহাম্মদ মিয়া ঘরের জম্ম গ্রহন করেন।

এম এ গণি চট্টগ্রামের আর এক দানবীর ধার্মিক ছোবাহানিয়া আলীয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হাজী আবদুল ছোবাহান সওদাগরের  প্রথমা কন‍্যার ২য় পুত্র।

এম এ গণির পিতা ছিলেন একজন স্বনামধন্য জমিদার ও তৎকালীন একজন প্রতিষ্ঠিত  ব‍্যাবসায়ী। বাল‍্যকালে এম এ গণি পিতা হারা হয় মাত্র ৫ বছর বয়সে। তাহার মাতার তত্বাবাধনে এম এ গণি পড়া শুনা চালিয়ে যান। 

এম এ গণি ৩ ভাই ও ১ বোন ছাত্রজীবন থেকে তিনি রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন শহীদ সরোয়াদীর হাতে ধরে এবং তখনি এম এ গণির রাজনৈতিক জীবন আরম্ভ। প্রতিষ্ঠা লগ্ল থেকে এম এ গনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত। 

১৯৫৩ চট্টগ্রাম শহরের আওয়ামীলীগ এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এম এ গনি চট্টগ্রাম সিটি আওয়ামীলীগ এর ৯ নং ওয়ার্ডের সভাপতি নিবাচিত হন।

তৎকালীন নেতা জহুর আহমেদ চৌদুরি ও এম এ আজিজ সাহেবের সাথে এম এ  গনি রাজনৈতিক সু সম্পর্ক ছিলো। ১৯৫৪ তে নিবাচনের সময় জহুর আহমেদ সাহেবের পক্ষে নিবাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভৃমিকা পালন করেন।

১৯৫৬ তে পাথরঘাটা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৫৮ তে এম এ গনি কমিশনার পদে চট্টগ্রাম শহরে পৌরসভা নিবাচনে অংশ গ্রহন করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর প্রাথী হয়ে।

১৯৬০ এম এ গনি প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান এর শাসন আমলে Basic Democrat Member নিবাচিত হয়।

1964 এম এ গনি পকিস্তানের করাচি গমন করেন সাথে ছিল শহীদ সরোয়াদী।তৎকালীন সময়ে তিনি একবছর ispahani shipping এ deputy manager হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

1964 এম এ গনি প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে ঝালাময় বক্তব্য দেন এবং মিটিং এ প্রেসিডেন্ট কে জুতা প্রদশন করেন।এর জন্য কারাগারে ছিলেন।এবং আরো অনেক নাশকতা মামলা ওরারেন্ট হয়। তিনি রাজনৈতিক কারনে 1966 একপ্রকার বাধ্য হয়ে দেশ ত‍্যাগ করে লন্ডন গমন করে।এবং প্রবাসে রাজনৈতিক জীবন আরম্ভ করেন। 

1971 যুদ্ধের সময় তিনি বাংলাদেশের পক্ষে দেশের  স্বাধীনতার জন‍্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।এবং লন্ডনে প্রবাসী বাংলাদেশী নিয়ে কমিটি গঠন করেন। এবং মুক্তিযুদ্ের জন‍্য তহবিল সংগ্রহ করে মুক্তিযোদ্ধাদের জন‍্য দেশে পাঠান। তৎকালীন বিচারপতি আবু সাইদ চোধুরী প্রধান ছিলেন সে কমিটির| এম এ গনি লন্ডনে সেখানে সদস্য ছিলেন।

বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এম এ গনি 1972 বাংলাদেশে আসেন। এবং এম এ গনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায়।

এম এ গনি বঙ্গবন্ধুর একজন খুবই প্রিয় ব‍্যক্তি ছিলের। তিনি তাকে খুবই আদর করতেন। 

পরবর্তীকালে তিনি লন্ডনে ইউরোপ আওয়ামী লীগ এর কাজ করেন রাত দিনে, কখনো বেলজিয়াম, আবার কখনো পতুগাল আবার কখনো জামানি গেছেন তিনি।

এম এ গনি ছিলেন ইউরোপ আওয়ামী লীগ এর  সাধারণ সম্পাদক। দল কে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করেছেন।

পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিদে্শে তিনি আমৃত্যু উপদেষ্টা দায়িত্ব পালন করেছেন।

এম এ গনি ছিলেন একজন অকুতোভয় গনতান্ত্রিক নেতা। ব‍্যক্তি জীবনে এম এ গনি ২ পুএ ও  ৩ কন‍্যার পিতা।তাহার স্ত্রী শিরিন গনি ছেলে মেয়েদের নিয়ে লন্ডনে বসবাস করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2020 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com