August 9, 2026, 8:39 am
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় ৫ একর লবণ মাঠের পলিথিন কেটে দিল দুবৃর্ত্তরা। মারপিট ও গুলিবিদ্ধের ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় ক্ষিপ্ত হয়ে আসামীরা ধারালো অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ অবস্থায় বাদীর লবণ চাষের জমিতে হানা দেয়। এ সময় লবণ উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রায় ৫ একর জমির পলিথিন কেটে সাবাড় করা হয়েছে। ৪ ফেব্রæয়ারী রাত ১১ টার দিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের কোদাইল্লাদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার জের ধরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ১ম দফায় মারপিট সংঘটিত হওয়ার পর থেকে দফায় দফায় তান্ডব ও হুমকি ধমকি দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় সুত্র জানায়, কোদাইল্লাদিয়া গ্রামে আবদু সালাম ও মো: ফরিদের পুত্র আরিফ গংদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর সুত্র ধরে চলতি বছরের ১০ জানুয়ারী কোদাইল্লাদিয়ায় বড় ধরনের রক্তপাত সংঘটিত হয়েছে। ওই দিন দুপুর ১২ টার দিকে আবদু সালাম লবণ মাঠে কাজ করতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সাহাব উদ্দিনের বাড়ির সামনে তাকে গতিরোধ করা হয়। এ সময় দুবৃর্ত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। মাথায় ও পায়ে গুলি লাগে। ওই ঘটনায় আবদু সালামের স্ত্রী রওশন আক্তার (৪০)সহ আরও একাধিক নারী পুরুষ গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছে। ওই ঘটনায় পেকুয়া থানায় মামলা রেকর্ড হয়েছে। যার নং ০৫/২১। এ দিকে মামলার খবরে আসামীরা আরও অধিক ক্ষিপ্ত হন। আবদু সালাম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ঘটনার জের ধরে আসামীরা তার কামলাদের মাঠে কাজ না করতে বারণ করে। এমনকি লবণ পরিমাপও বন্ধ করা হয়। জমিতে লবণ উৎপাদনে বন্ধ করে দেয়। আবদু সালামের স্ত্রী বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। পেকুয়া থানার এস,আই হেফজুর রহমান ওই স্থানে পরিদর্শনও করেন। এ দিকে ঘটনার ৩ সপ্তাহ পর আসামীরা আবারও সংঘবদ্ধ হয়ে ওই দিন রাতে আবদু সালামের লবণ মাঠে হানা দেয়। এ সময় ৫ একর পরিমাণ লবণ মাঠের পলিথিন কেটে ফেলে। পানিও সেচ যন্ত্র স্কীমও নষ্ট করে দেয়। এ ব্যাপারে আবদু সালামের স্ত্রী রওশন আক্তার জানান, আমার স্বামীর কাছ থেকে চাঁদা দাবী নিয়ে ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। আমার স্বামী এখনো সুস্থ হননি। দফায় দফায় তারা ঘটনা সংঘটিত করছে। মাঠে লবণ উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। আমি ১০/১৫ জনের সংঘবদ্ধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে পেকুয়া থানায় আবারও লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আজু মাঝি, কালা মিয়া, শফি, মানিক, আরিফ, জালাল, সাহাব উদ্দিন, হাসান, আবদু রহমান, রাসেলসহ সংঘবদ্ধ দুবৃর্ত্তদের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দিয়েছি। পেকুয়া থানার ওসি সাইফুর রহমান মজুমদার জানান, বিষয়টি আমাকে দেখে বলতে হবে। আমি বাইরে আছি।