August 9, 2026, 10:31 am
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জবর দখল প্রক্রিয়া চলছে প্রবাসীর জমিতে। জমি দখল বেদখলকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া চলমান রয়েছে। এর সুত্র ধরে সম্প্রতি টইটং ইউনিয়নের পূর্ব ধনিয়াকাটা গ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের শংকা বিরাজ করছে। স্থানীয় সুত্র জানায়, ২ একর ৪০ শতক জমির মালিক পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মৌলভীপাড়ার মৃত মোহাম্মদ সাচির পুত্র হাজী ছৈয়দুল আলম। ২০০৩ সালে ৪৪৭ নম্বর দলিলমূলে ২.৪০ একর জমি ছৈয়দুল আলম খরিদ করে। এরপর ওই জমি তিনি ভোগ দখলে আছেন। জমিতে জমাভাগ সৃজিত হয়েছে। যার নং ৫৫৬। বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন বারবাকিয়ার পাহাড়িয়াখালী গ্রামের মৌলভী মো: ইসমাইল ওই জমি বিক্রি করেন। সুত্র জানায়, জমির শ্রেণি দু’ধাপে রুপান্তর। ২ একর মত জমিতে ফসল উৎপাদন হয়। নাল জমি হিসেবে পাহাড়ের পাদদেশে ওই জমিতে বর্ষার সময় আমন ফসল ও শুস্ক মৌসুমে রবি ফসল উৎপাদন হয়। অপরদিকে ৪০ শতক জমি টিলা ও উচুঁ ভূমির শ্রেনীভূক্ত থাকায় ওই জমিতে মালিক গাছ গাছালি রোপণ করে রক্ষণাবেক্ষণ করছিলেন। তবে গত কয়েক বছর ধরে পাহাড়ী অংশের খতিয়ানভূক্ত ৪০ শতক জমি নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে। একটি দখলবাজ চক্র ওই জমিকে পাহাড়ী রিজার্ভ সম্পত্তি প্রচার চালিয়ে জবর দখল কুমানসে লিপ্ত হয়। ছৈয়দুল আলম দীর্ঘ ৪০ বছর যাবৎ প্রবাসে আছেন। তার স্ত্রী লাইলা বেগম স্বামীর অবর্তমানে জমি রক্ষনাবেক্ষন ও দেখভাল করছিলেন। গত ৩ বছর আগে থেকে একটি চক্র টিলা অংশের জমিতে ঘর তৈরীর প্রচেষ্টা চালায়। তারা ভাড়াটে সন্ত্রাসী জড়ো করে একাধিকবার জায়গা দখলের চেষ্টা চালায়। জবর দখল ঠেকাতে জমির মালিক ছৈয়দুল আলম ২০১৯ সালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কক্সবাজারে একটি এম আর মামলা রুজু করে। যার নং ৫৯৯/১৯। এ দিকে সম্প্রতি জমি নিয়ে ফের বিরোধ দেখা দিয়েছে। সুত্র জানায়, পূর্ব ধনিয়াকাটার মৃত সোলতান আহমদের পুত্র আক্তারসহ একটি ভূমিদস্যুচক্র জমি দখলের চেষ্টা করছে। এর সুত্র ধরে আক্তারসহ দখলবাজচক্র হাজী ছৈয়দুল আলমের মালিকানাধীন প্রায় ২২ শতক জায়গায় ঘেরা বেড়া দেয়। এমনকি ওই স্থানে তারা সবজির আবাদ করে। গত ১ সপ্তাহ আগে আক্তার গং জমিতে বাঁশের ঘেরা নির্মাণ করে। ছৈয়দুল আলম জানান, আমি খুবই অসহায়। বিদেশে থাকি। ছেলেরা পড়ালেখা করে। আমার স্ত্রী একজন মহিলা হওয়ায় তারা জমি জবর দখলের সাহস পাচ্ছে। জায়গার বিষয়ে টইটং ইউনিয়ন পরিষদে বিচার ছিল। গ্রাম আদালত আমার পক্ষে রায় প্রচার করে।