March 31, 2020, 5:21 pm

শিরোনাম :
মুলাদীতে তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-৩ করোনা ভাইরাস সংকটে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ : এসপি মাসুদ কাজিপুরে নিম্ন আয়ের মানুষদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ চকরিয়ায় গৃহবন্দী কর্মহীন মানুষের ঘরে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিলেন ইউএনও শিবলী নোমান সাধারণ ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সিরাজগঞ্জে গৃহবধুকে গণধর্ষনে ব্যর্থ হয়ে মাথা ফাটালেন ৫ জনের করোনার সঙ্গে যদি মশা যোগ হয় বা ডেঙ্গু আসে, সেটা আমাদের জন্য আরও মারাত্মক হবে- প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে চিকিৎসক ও নার্সদের মাঝে পিপিই ও হ্যান্ড গ্লোব বিতরণ যারা ত্রান সামগ্রী নিতে এসেছে এরা কেউ ভিক্ষুক নয়.. মোজাম্মেল হক কালিয়াকৈরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
গুরুদাসপুরে পাঁচ ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ করে জায়গা দখলের চেষ্টা

গুরুদাসপুরে পাঁচ ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ করে জায়গা দখলের চেষ্টা

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
নাটোরের গুরুদাসপুরে পাঁচ ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে গুলজার হোসেন নামে একজন দলিল লেখকের বিরুদ্ধে। উচ্ছেদ করার জন্য পরিবারগুলোকে নানাভাবে হয়রানীও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের বৃ-চাপিলা গ্রামে ওই ঘটনাটি ঘটেছে।
সর্বশেষ গত মঙ্গলবার ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পানীয়জলের একটিমাত্র টিউবয়েলের মাথা ভেঙ্গে ফেলা মাটি ফেলা শুরু করেছেন ওই দলিল লেখক গুলজার হোসেন। নিজেদের নিরাপত্তা ও উচ্ছেদ হওয়ার ভয়ে পরিবারগুলো থানায় অভিযোগ দিতে পারছেনা পরিবারগুলোর মানুষ।

ভুক্তভোগী দুলাল আকন্দ ও বেলার হোসেন অভিযোগ করেন, ১৬৫০ দাগের একটি খাস জায়গায় গড়ে উঠেছে ‘ বৃ-চাপিলা এবতেদায়ী স্বতন্ত্র মাদ্রাস’। ওই দাগের শেষ ভাগে তাঁরা পাঁচটি পরিবার বসবাস করছেন। সেটা ৫০ বছরেও বেশি সময় ধরে।দিন আনে দিন খায় অবস্থায় কোন রকমে বেঁচে থাকেন তাঁরা। একারনে জমি কিনে বসবাস করার সামর্থ হয়ে ওঠেনি।
এত বছর পর এসে দলিল লেখক গুলজার হোসেন জায়গাটি তাঁর বলে দাবী করে তাদের পরিবারগুলো উচ্ছেদের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। গেল দুই মাস ধরে তাদের ভয়ভীতি ও হয়রানী করা হচ্ছে। গুলজার হোসেনের ভয়ে পরিবারের নারী সদস্যদের নিয়ে ভয়ে জীবন যাপন করছেন তাঁরা। এক পর্যায়ে গত মঙ্গলবার তাদের বসত ঘর সংলগ্ন জায়গায় মাটি ভরাট শুরু করেছেন। ভেঙ্গে ফেলেছেন পানীয় জলের একমাত্র টিউবয়েলটিও। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান সরকারকে বলেও কাজ হয়নি।

গুলজার হোসেন দাবী করেন,- তাঁর বাপ-দাদারা পরিবারগুলোকে বসবাসের জন্য জায়গা দিয়েছিলেন। সেটা প্রায় ৬০ বছর আগে। এখন নিজেদের প্রয়োজনে জায়গাটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাদের বলা হয়েছে। ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগটি সত্য নয়।
তবে স্থানীয় ইউপি সদস্য (৭ নম্বর ওয়ার্ড) মো. আব্দুল হান্নান সরকার জানান, সরকারি খাস জায়গায় বসবাস করছেন পরিবারগুলো। এনিয়ে দুই দফা শালিশী বৈঠক বসলেও জায়গাটি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে দলিল লেখক গুলজার হোসেন।গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2019 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com