September 26, 2020, 12:07 pm

শিরোনাম :
চকরিয়া খুটাখালীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ আহমদ আর নেই গুরুদাসপুর পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভা করতে চান বিপ্লব আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে সংঘর্ষে ৬৫ তালেবান নিহত উমর খালিদের মুক্তি চেয়ে সরব চমস্কি-অরুন্ধতীরা কোরিয়ান কালচার ডিজিটাল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন সুররাত নুবাহ্ যশোর সদর উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচন,জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা পঞ্চগড়ে ৩৫ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ১ করোনা যোদ্ধা হিসেবে যিনি পরিচিত তিনিই আজ করোনায় আক্রান্ত কাঁকড়া রপ্তানি বন্ধ থাকায় পথে বসার উপক্রম হয়েছে বাগেরহাট জেলার কাঁকড়া ব্যবসায় জড়িতরা মোংলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক যুবককে মেরে রক্তাক্ত জখম করেছে সন্ত্রাসীরা
ধান কেনার লটারি দিয়ে তোপের মুখে ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষি কর্মকর্তারা। -districtnews24.com

ধান কেনার লটারি দিয়ে তোপের মুখে ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষি কর্মকর্তারা। -districtnews24.com

জাকির হোসেন  ঠাকুরগাঁও জেলা  প্রতিনিধিঃ
রকার প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি আমন ধান কেনার জন্য নির্দেশ দিলেও ঠাকুরগাঁওয়ে ২০১৪ সালের চাষিদের নামের তালিকা দিয়ে লটারি সম্পন্ন করা হয়েছে।

সোমবার  সকালে ঠাকুরগাঁও উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ লটারির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম।

সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অরুনাংশু দত্ত টিটোর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নুর কুতুবুল আলম, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বাবুল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিখিল কুমার রায়, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি সরকার আলাউদ্দীন, জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী প্রমুখ।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৬৮ হাজার ৬৪৮ জন কৃষক নির্বাচনের জন্য লটারি করতে চাইলে সাংবাদিকরা জানতে চান- সরকারি খাদ্যগুদামে সরাসরি ধান বিক্রির সুবিধা পাবেন কোন কোন কৃষক। যারা এবার আমন ধান চাষ করেছেন নাকি যাদের অনেকে কৃষি ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছেন।

জবাবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃঞ্চ রায় বলেন, সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী কৃষিকার্ড ছাড়া সরকারি গুদামে ধান বিক্রির সুযোগ নেই। সর্বশেষ কৃষি কার্ড দেয়া হয়েছে ২০১৪ সালে। এতে কৃষির সঙ্গে জড়িত যেসব কৃষক কৃষি কার্ড পাননি বা পরবর্তী পাঁচ বছর কৃষিতে জড়িয়েছেন তাদের নাম লটারিতে আসার সুযোগ নেই।

এ অবস্থায় সংবাদকর্মী ও উপস্থিত কৃষকদের তোপের মুখে পড়েন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত বেশিরভাগ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তোলেন কৃষকরা।

এ অবস্থায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন দায়িত্বে অবহেলাকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। সেই সঙ্গে লটারিতে তালিকাভুক্ত কৃষক ছাড়া অন্য কোনো ব্যবসায়ী যাতে কৃষকদের তালিকা হাতিয়ে নিয়ে খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুযোগ না পায় সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2020 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com