February 24, 2020, 8:39 am

শিরোনাম :
কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবের আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুর মহানগরে ৭০০পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক কালিয়াকৈরের মৌচাকে বাস উল্টে নিহত ২ মাতৃভাষা দিবসে গ্রীনলাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্নয় কালিয়াকৈরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ছাত্রলীগ নেতার অন্যরকম জন্মদিন পালন আব্দুল্লাহ মডেল পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে স্কাউটস এর জনক রবার্ট ষ্টিফেনসন স্মিথ লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল অফ গিলওয়েল এর কেক কেটে জন্ম বার্ষিকী পালন গাজীপুর মহানগরের খাইলকুর এলাকায় গার্মেন্টস শ্রমিক ধর্ষণের ঘটনায় ৩ জন ধর্ষক কে আটক করেছে গাছা মেট্রো থানা পুলিশ চকরিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধাঞ্জলী গাজীপুর মহানগরে পুলিশের হাতে পাঁচ মাদক ব্যবসায়ী আটক
ক্ষমা চাইলেন বুয়েট ভিসি

ক্ষমা চাইলেন বুয়েট ভিসি

ডিএন২৪ ডেস্কঃ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. সাইফু্ল ইসলাম। শুক্রবার বিকালে বুয়েট অডিটোরিয়ামে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আবরার ফাহাদ হত্যার ৩০ ঘণ্টা পার হলেও ক্যাম্পাসে আসেননি ভিসি। যে কারণে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ভিসির পদত্যাগ দাবি করেন। সেই দাবির প্রেক্ষিতে ক্ষমা চান বুয়েট ভিসি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। শুক্রবার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আবরার ফাহাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং মামলার যাবতীয় খরচ বহনকরার ঘোষণা দেয়।

এ বৈঠকে আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত ১৯ জনকে বুয়েট থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে আবরার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলায় বুয়েট শাখার সহসভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১১ জনকে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।

প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় খুন হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে। ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে শনিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জের ধরে রোববার রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিটুনির সময় নিহত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খুনিরা।

তবে আবরার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে নিশ্চিত করেছেন তার পরিবারের সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা। হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ না রাখতে সিসিটিভি ফুটেজ মুছে (ডিলেট) দেয় খুনিরা। তবে পুলিশের আইসিটি বিশেষজ্ঞরা তা উদ্ধারে সক্ষম হন। পুলিশ ও চিকিৎসকরা আবরারকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন।

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ইতিমধ্যে পুলিশ ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছেন। ১৩ জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন- বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন, অনীক সরকার, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, ইফতি মোশারেফ, বুয়েট ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে রবিন, গ্রন্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে মুন্না, ছাত্রলীগের সদস্য মুনতাসির আল জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম ওরফে তানভীর, মোহাজিদুর রহমানকে, শামসুল আরেফিন, মনিরুজ্জামান ও আকাশ হোসেন, মিজানুর রহমান (আবরারের রুমমেট), ছাত্রলীগ নেতা অমিত সাহা এবং হোসেন মোহাম্মদ তোহা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.




© All rights reserved © 2019 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com