October 14, 2019, 8:39 am

শিরোনাম :
মুক্তাগাছায় স্কুলছাত্রী উমামাকে খুনের অভিযোগ, বাবা ও সৎ মা গ্রেফতার কক্সবাজারের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতন করা চলবে না: এসপি মাসুদ আলীকদমে সড়ক দুর্ঘটনায় পেকুয়ার দুই যুবক নিহত; আহত ১৫ আবরার হত্যায় বিবৃতি: জাতিসংঘ প্রতিনিধিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব গুরুদাসপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু বুয়েটের পর মাদকাসক্তরা তাড়িয়ে দিলো ইবি ছাত্রলীগ সভাপতিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্যায় আচরণ সহ্য করা হবে না: প্রধানমন্ত্রী ৫ দফা দাবি মেনে বুয়েটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আন্দোলন আপাতত স্থগিত বিএনপির অপপ্রচার দেশের মানুষ এখন আর খায় না : তথ্যমন্ত্রী টঙ্গীতে হোটেলে পুলিশের অভিযানে ১৮ নারী-পুরুষ আপত্তিকর অবস্থায় আটক
ন্যায়বিচারে বাধার প্রতিবাদে এজলাসেই নিজের মুখে গুলি চালালেন বিচারক

ন্যায়বিচারে বাধার প্রতিবাদে এজলাসেই নিজের মুখে গুলি চালালেন বিচারক

ডিএন২৪ ডেস্কঃ ভরা আদালত। শুনানি চলছে। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে হত্যা মামলার আসামি। অপরাধী সাব্যস্ত করার শক্ত কোনো প্রমাণও নেই। তা সত্ত্বেও ওপরের নির্দেশ, শাস্তি দিতেই হবে অভিযুক্তদের। শেষ পর্যন্ত চাপ উপেক্ষা করেই আসামিদের বেকসুর খালাস দিলেন বিচারক।

এখানেই শেষ নয়। ন্যায়বিচারে বাধা দেয়ার প্রতিবাদ জানালেন সঙ্গে সঙ্গেই। এজলাসে বসেই পকেট থেকে পিস্তলটি বের করলেন। নিজের মুকেই চালালেন গুলি।

দক্ষিণ থাইল্যান্ডের ইয়ালা আদালত ভবনের তৃতীয় তলায় শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় ঘটে ঘটনাটি। দ্রুত বিচারককে হাসপাতালে নেয়া হয়। অপারেশনের পর বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত। এর আগে প্রতিবাদী বক্তব্য দিয়ে সেটা সামাজিক মাধ্যমে পোস্টও করেন।

ন্যায়বিচারে এমন নজিরবিহীন প্রতিবাদের জন্য এখন প্রশংসায় ভাসছেন বিচারক কানাকর্ন পিয়ানচানা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তো বটেই, থাইদের মুখে মুখেও এখন একটাই কথা- ‘একেই বলে বিচারক। এরই নাম বিচার’।

থাইল্যান্ডের বিচার বিভাগ ও এর বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে ঢের অভিযোগ রয়েছে। দেশটির সচেতন মহল ও সুশীল সমাজ বলছে, আদালত এখন ধনী ও প্রভাবশালী ছাড়াও আর কাউকে চেনে না। রায় বেশিরভাগই পয়সাওয়ালা ও প্রভাবশালীদের পক্ষেই যায়।

অন্যদিকে ছোট্ট অপরাধে সাধারণ মানুষকে দেয়া হয় গুরুতর সাজা। তারপরও বিচার ব্যবস্থা নিয়ে এ যাবৎ কোনো বিচারকই প্রতিবাদ করেননি।

নিজের বুকে গুলি চালানোর আগে বিচারক খানাকর্নের লেখা বিবৃতিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ২৫ পৃষ্ঠার ও বিবৃতি থেকে জানা যায়, তিনি যে মামলার শুনানি করছিলেন তা জাতীয় নিরাপত্তা এবং গোপন সংগঠন, ষড়যন্ত্র ও অস্ত্রবিষয়ক।

থানাকর্নের দাবি, মামলায় রায় নিয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারকদের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দেয়। প্রমাণের অভাবে পাঁচ অভিযুক্তকে খালাস দিতে চেয়েছিলেন খানাকর্ন। তবে জ্যেষ্ঠ বিচারকেরা তাকে তিন অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড ও বাকি দু’জনকে কারাদণ্ড দিতে চাপ দেয় বলে ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে।

লেখা হয়েছে, ‘এই মুহূর্তে অন্যান্য অধস্তন বিচারকদের সঙ্গেও একই আচরণ করা হচ্ছে যেমনটি আমার সঙ্গে হয়েছে। আমি (যদি) আমার শপথ না রাখতে পারি, তাহলে সম্মান ছাড়া বাঁচার চেয়ে আমি মরে যাব।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2019 districtnews24.Com
Design & Developed BY districtnews24.Com